জেনেভা: গত চার সপ্তাহ ধরে গোটা বিশ্বে বেড়ে চলেছে করোনা সংক্রমণ। পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মৃত্যু সংখ্যা। এমতাবস্থায় ফের বড়সড় আশঙ্কার কথা শোনালেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান টেড্রস অ্যাধনম গেব্রিয়েসাস। তাঁর দাবি বর্তমানে যা পরিস্থিতি চলছে তাতে এত সহজে করোনা থেকে মুক্তি নেই বিশ্ববাসীর। তবে সঠিক বিধিনিষেধ পালনের মাধ্যমে করোনার রাশ টানা সম্ভব বলে দাবি করেন তিনি।

হু প্রধান আরও বলেন, আমরা সকলেই চাই গোটা বিশ্ব অর্থনীতিই পুনরায় চাঙ্গা হোক। কিন্তু করোনা মহামারিতে ইতি পড়তে এখনও অনেক সময় বাকি।কিন্তু এতে এত আশাহত হওয়ার কিছু নেই। চলতি বছরের শুরুর দুই মাসে আমরা দেখেছিলাম গোটা বিশ্বে কী ভাবে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা কমেছিল। এখান থেকেই পরিষ্কার যে করোনার নতুন স্ট্রেনকেও ঠেকানো সম্ভব।

বিশ্বে এখনও পর্যন্ত করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে ১৩ কোটি ৭২ লক্ষ ৪৯ হাজার ১৬৭ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ২৯ লক্ষ ৫৮ হাজার ২৪০ জন।আক্রান্তদের মধ্যে সুস্থ হয়েছে ১১ কোটি ৪ লক্ষ ২৭ হাজার ৪০৬ জন এবং বর্তমানে সক্রিয় কেস রয়েছে ২ কোটি ৩৮ লক্ষ ৬৩ হাজার ৫২১ জন।বিশ্বে করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত দেশের তালিকায় সবার ওপরে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। সে দেশে এখন পর্যন্ত করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছে ৩ কোটি ১৯ লক্ষ ৮৯ হাজার ৯৬৩ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ৫ লক্ষ ৭৬ হাজার ২৯৮ জনের।

গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছে ১ লক্ষ ৬০ হাজার জন। এই মুহূর্তে দেশে সক্রিয় আক্রান্তের সংখ্যার ভিত্তিতে সারা বিশ্বে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ভারত। এমনকি ফের আক্রান্তের সংখ্যার ভিত্তিতে ব্রাজিলকে ছাপিয়ে গেছে দেশ। এই মুহূর্তে দেশে অ্যাক্টিভ কোভিড রোগীর সংখ্যা ১ কোটি ৩৫ লক্ষ ২৫ হাজার ১৫৩ জন।

অন্যদিকে, ব্রাজিলের সক্রিয় করোনা রোগীর সংখ্যা এই মুহূর্তে ১ কোটি ৩৪ লক্ষ ৮২ হাজার ৫৪৩। এর আগে ২০২০-র ৬ সেপ্টেম্বরে করোনা আক্রান্তদের নিরিখে ব্রাজিলকে ছাপিয়ে গিয়েছিল ভারত। ফের সেই একই নিরিখে ব্রাজিলকে ছাড়ালো ভারত। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পরেই দ্বিতীয় স্থানে জায়গা করে নিল দেশ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.