প্রতীকী ছবি

চণ্ডীগড় : বাড়িতেই আছেন তো? নাকি পুলিশের চোখে ধুলো দিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছেন যত্রতত্র? এবার থেকে সেসব ফাঁকিবাজি আর নয়। আপনি বাড়িতে আছেন নাকি ঘুরে বেড়াচ্ছেন, তার ওপর নজরদারি চলবে। তৈরি করা হয়েছে এক মোবাইল অ্যাপ, যা কোনও ব্যক্তির গতিবিধির ওপর নজর রাখবে। কেন্দ্র শাসিত এই অঞ্চলের প্রশাসনের তরফ থেকে তৈরি করা হয়েছে মোবাইল অ্যাপটি। নাম দেওয়া হয়েছে সিভিডি ট্র্যাকার।

কোয়ারেন্টাইনে থাকা ব্যক্তিদের নিয়ন্ত্রণ করতেই মূলত বানানো হয়েছে এই অ্যাপটি। আপনি হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকলে এবং আপনার মোবাইলে এই অ্যাপটি থাকলে, খুব সহজেই পুলিশের পক্ষ থেকে আপনাকে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। এই অ্যাপ আপনার লোকেশন বা অবস্থান জানাবে পুলিশকে। এছাড়াও এই অ্যাপে থাকছে ব্যক্তির মুখ চিহ্নিতকরণের ব্যবস্থা।

এছাড়াও জিও-ফেন্স এরিয়া ডিটেকশন বা কোথায় কোথায় আপনি যাচ্ছেন বা আপনার গন্তব্য কি, তা জানাবে এই অ্যাপ। আপনি এই অ্যাপ ব্যবহার করলে প্রতি ঘন্টায় সেলফি আপলোড করতে হবে। চণ্ডীগড়ের যে সব ব্যক্তি কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন, এই অ্যাপ তাঁদের মোবাইলে থাকা বাধ্যতামূলক করতে চলেছে প্রশাসন।

অ্যাপ ব্যবহারকারী কোনও ব্যক্তি নিজের তথ্যে দেওয়া অবস্থানের ৫০ মিটারের বেশি দূরত্বে যেতে পারবেন না। কিন্তু যদি তা যান তবে দ্রুত সংকেত পৌঁছবে পুলিশের কন্ট্রোল রুমের কাছে। যে সেলফি আপলোড করার কথা বলা হয়েছে, সেই সেলফির সঙ্গে কোয়ারেন্টাইনে থাকা জায়গার অবস্থান মেলাবে পুলিশ।

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে অ্যাপ ব্যবহারকারী ব্যক্তি ফোন সুইচ অফ করে রাখবেন, তার বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেবে পুলিশ। এজন্য এফআইআর পর্যন্ত করা হতে পারে। আর এই কাজের জন্য ২৪ ঘন্টা সতর্ক হয়ে রয়েছে চণ্ডীগড় পুলিশের বিশেষ প্রশিক্ষিত টিম। ২৫ মার্চ করোনা মহামারিকে রুখতে শুরু করা হয়েছিল লকডাউন। আশা করা যাচ্ছিল ২১ দিনের লকডাউনেই কার্যকরী হবে লড়াই। রুখে দেওয়া যাবে মহামারিকে। কিন্তু তা হয়নি, দেশে এখনও ক্রমে বেড়ে চলেছে সংখ্যা ফলে লকডাউন বাড়ানোর সিদ্ধান্তে হেটেছে অনেক রাজ্য।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।