নয়াদিল্লি : বুধবার অর্থাৎ ৫ই অগাষ্ট বাজারে এল বিখ্যাত ফার্ম লুপিন লিমিটেডের করোনার ওষুধ। ফ্যাবিপিরাভির শ্রেণীর ওষুধ কোভিহল্ট মৃদু থেকে মাঝারি মানের সংক্রমণের ওষুধ। এই কোভিহল্ট লঞ্চ করল লুপিন। ইতিমধ্যেই জরুরি অবস্থায় এই ওষুধ প্রয়োগের ছাড়পত্র পেয়েছে লুপিন। ডিসিজিআই এই ছাড়পত্র দিয়েছে বলে খবর।

রোগির পরিস্থিতি অনুযায়ী ও চিকিৎসকের পরামর্শমত ওষুধটি খাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রতি ট্যাবলেটের দাম ধার্য করা হয়েছে ৪৯ টাকা। ২০০ এমজি করে ১০টি ট্যাবলেটের একটি পাতা লঞ্চ করা হয়েছে।

লুপিন লিমিটেডের প্রেসিডেন্ট রাজীব সিবাল বলেন করোনা ভাইরাস বিশ্ব জুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। তার মোকাবিলায় আমরা সবাই একযোগে লড়ছি। এই ওষুধ সেই লড়াইয়েরই ফল। মাঝারি মানের সংক্রমণে এই ওষুধ কোভিহল্ট বিশেষ মাত্রায় কাজ করবে বলে আশাবাদী তিনি।

লুপিনের ১৫টি উৎপাদন সংস্থায় একযোগে কাজ হয়েছে। ২০ হাজার কর্মী কাজ করেছেন এই ওষুধ নির্মাণে। শুধু কোভিহল্টই নয়, এই কোম্পানি দেশ বিদেশে বহু ওষুধ উৎপাদন ও সরবরাহ করে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, দক্ষিণ আফ্রিকা, লাতিন আমেরিকা, ইউরোপ ও মধ্য প্রাচ্যেকর দেশগুলিতে ওষুধ সরবরাহ করে লুপিন।

এদিকে, এর আগে, বাজারে করোনা ভাইরাসের ওষুধ নিয়ে আসে হেটারো ল্যাব। হেটারো ল্যাবের তরফ থেকে হেটারো গ্রুপ জানায়, ফ্যাবিপিরাভিরের গ্রুপের কার্যকরী ওষুধ লঞ্চ করতে চলেছে তাঁরা। এর নাম ফ্যাবিভির। এর প্রতিটি ট্যাবলেটের দাম রাখা হয়েছে ৫৯ টাকা।

হায়দরাবাদের এই ওষুধ প্রস্তুত কারক সংস্থা এক প্রেস বিবৃতি প্রকাশ করে। তাঁরা জানায়, ড্রাগ কন্ট্রোলার জেনারেল অফ ইন্ডিয়া বা ডিজিসিআইয়ের পক্ষ থেকে এই ওষুধকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। ফলে খুব শীঘ্রই এই ওষুধ বাজারে মিলবে।

উল্লেখ্য, ফ্যাবিপিরাভির নামক ওষুধটির প্রস্তুত কার্য ও মার্কেটিংয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে হেটারোকে। হেটারোর তৈরি ফ্যাবিপিরাভির হল করোনার দ্বিতীয় ওষুধ। এর আগে হেটারো তৈরি করে রেমিডিসিভির বা কোভিফোর। যা এখন প্রায়ই করোনার চিকিৎসায় ব্যবহার করা হয়।

সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ফ্যাবিভির করোনা আক্রান্তদের ওপর কার্যকরী ভূমিকা নিয়েছে। এতে করোনা আক্রান্তদের সেরে ওঠার গতি দ্রুত হচ্ছে। মূলত মৃদু লক্ষ্মণযুক্ত করোনা রোগীদের ওপর এই ওষুধ প্রয়োগ করা হচ্ছে। ২৯শে জুলাই থেকেই এই ওষুধ বাজারে নিয়ে আসা হবে বলে জানানো হয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।