নয়াদিল্লি : আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন খোদ স্বাস্থ্যমন্ত্রীও। এবার সেই তত্বে সিলমোহর দিলেন দিল্লি এইমসের ডিরেক্টর রণদীপ গুলারিয়া। বৃহস্পতিবার তিনি বলেন আসন্ন শীতকালে বাড়তে পারে করোনা সংক্রমণ। শুধু তাই নয় ক্রমশ বেড়ে চলা বায়ুদূষণও করোনার প্রকোপ বাড়াতে পারে বলে সম্প্রতি করা এক সমীক্ষা জানাচ্ছে।

ইতালি ও চিনের ওপর করা এক সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে শীতকালে ক্রমাগত বেড়ে গিয়েছে করোনার সংক্রমণ।

আর ভারতে বায়ুদূষণ সেই পরিমাণকে আরও বাড়িয়ে দিতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন গুলারিয়া। এদিন এইমস প্রধান বলেন প্লাজমা থেরাপি মৃত্যুর হার কমাতে পারেনি। আইসিএমআরের বক্তব্য ও রিপোর্ট উদ্ধৃত করে গুলারিয়া জানিয়েছেন এই কারণে শীতকালে মাস্ক পরার অভ্যাসটা আরও জোরদার করতে হবে। বারবার হাত ধুতে হবে। সামাজিক দূরত্ব অবশ্যই মেনে চলতে হবে।

গবেষকরা বলছেন গরমকালে অ্যারোসোলের ছোট ছোট কণার কারণে এই সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছিল, শীতকালে রেসপিরেটরি ড্রপলেট সরাসরি সম্পর্কে আসার ফলে করোনা আরও বাড়তে পারে।

ন্যানো লেটারস জার্নালে এই গবেষণাটি প্রকাশিত হয়েছে। সমীক্ষায় আরও বলা হয়েছে, সোশ্যাল ডিসট্যান্সিং-এর বর্তমান নিয়মগুলি কোভিড -১৯ এর বিস্তার বন্ধ করতে যথেষ্ট নয়। গবেষণার লেখক ইয়ানিং ঝু জানিয়েছেন, “আমরা অনেক ক্ষেত্রেই দেখেছি রেসপিরেটরি ড্রপলেট ৬ ফুটের বেশি দূরত্ব অতিক্রম করতে পারে।”

গবেষকরা জানিয়েছেন, যে সব জায়গায় তাপমাত্রা খুব কম এবং আর্দ্রতা বেশি, সেসব জায়গায় ড্রপলেট মাটিতে পড়ার আগেই ৬ ফুটের বেশি দূরত্ব অতিক্রম করে ফেলতে সক্ষম। গবেষকদের দাবি, এই ধরনের পরিবেশে করোনা ভাইরাস একদিন অবধিও বেঁচে থাকতে পারে। আর সেই কারণেই মাংসের প্লান্টগুলিতে করোনার ঘটনা দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে।

বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, শীতে করোনার হাত থেকে বাঁচতে ব্যায়াম, পর্যাপ্ত ঘুম ও প্রোটিন যুক্ত খাবার খেতে হবে। এতে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। এদিকে, আগামী বছরের শুরুতেই নোভেল করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন দেশের বাজারে এসে যাবে বলে মনে করছেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষ বর্ধনও। ইতিমধ্যেই আমেরিকা, ব্রিটেন-সহ বিশ্বের প্রথম সারির একাধিক দেশ করোনার ভ্যাকসিন বানাচ্ছে। করোনার ভ্যাকসিন তৈরির কাজ চলছে ভারতেও। ভারত বায়োটেক, জাইডাস ক্যাডিলা-সহ বেশ কয়েকটি সংস্থা করোনার ভ্যাকসিন তৈরি করছে।

জেলবন্দি তথাকথিত অপরাধীদের আলোর জগতে ফিরিয়ে এনে নজির স্থাপন করেছেন। মুখোমুখি নৃত্যশিল্পী অলোকানন্দা রায়।