ফাইল ছবি

নয়াদিল্লি : দেশ জুড়ে শুরু হয়েছে করোনা ভ্যাকসিন ড্রাইভ। মাস ভ্যাকসিনেশনের জেরে এখনও পর্যন্ত করোনা ভ্যাকসিন পেয়েছেন ১৫ লক্ষ স্বাস্থ্যকর্মী। তবে একটা প্রশ্ন সবার মনেই রয়েছে সাধারণ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা নাকি ভ্যাকসিন নিয়ে তৈরি করা ইমিউনিটি, কোনটা বেশি কার্যকরী ও নিরাপদ। এই প্রতিবেদনে রইল সেই তথ্য।

তবে একটি বিষয় চিকিৎসকরা পরিষ্কার করে জানিয়েছেন যে করোনা ভ্যাকসিন নেওয়ার পরেও কিন্তু সংক্রমণের ভয় থাকবে। কারণ এই ভ্যাকসিন রোগটিকে মারণ হওয়ার হাত থেকে বাঁচাবে, সংক্রমণ আটকাবে না। জেনে নেওয়া যাক করোনা ভ্যাকসিন কতদিন সুরক্ষিত রাখবে মানুষকে।

গবেষকদের প্রাথমিক আলোচ্য বিষয় মানব শরীরের বি সেলগুলি। কোনও শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা যখন ভ্যাকসিনের সংস্পর্শে আসে, তখন দুই ধরণের শ্বেত রক্ত কণিকাকে সক্রিয় করে। প্রথমটি হল প্লাজমা বি সেল, যা প্রাথমিকভাবে অ্যান্টিবডি তৈরি করতে পারে। এই বি সেল বেশিদিন বাঁচে না। তাই দ্বিতীয় ডোজ তাড়াতাড়ি না নিলে প্রথম ডোজের ভ্যাকসিনের কার্যকারীতা দ্রুত শেষ হয়ে যায়।

দ্বিতীয় শ্বেতকরক্ত কণিকা হল টি সেল। এই টি সেল জীবাণু নষ্ট করার কাজ করে। শরীর বিশেষে সারা জীবন ধরে টি সেল কাজ করতে পারে। কিন্তু ভ্যাকসিনের দ্বিতীয় ডোজ না নিলে এর কর্মক্ষমতা কমতে থাকে। তাই ভ্যাকসিন নিলে টি সেল তৈরি হতে থাকে। যা শরীরের জন্য বিশেষ ভাবে উপকারী।

করোনা ভ্যাকসিনের একটা ডোজ কতটা কার্যকারী?

গবেষকদের মতে এটা বেশ গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। অনুমোদিত ভ্যাকসিনগুলির কার্যক্ষমতা তিন থেকে চার সপ্তাহ হতে পারে। আবার ১২ সপ্তাহ পর্যন্ত থাকতে পারে কার্যক্ষমতা। গবেষকরা বলছেন ভ্যাকসিনের কার্যকারীতা ৯০ শতাংশ পর্যন্ত হতে পারে। সেখানে স্বাভাবিক পদ্ধতিতে যাঁরা করোনার হাত থেকে বেঁচে রয়েছেন, তাঁদের শরীরের কার্যক্ষমতা ৯৯.৯৯ শতাংশ। যা অনেকাংশেই ভালো।

স্বাভাবিকভাবে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হওয়া বা থাকা ও ভাইরাস থেকে শরীরকে দূরে রাখার ক্ষমতা স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় থাকা অনেক ভাল। ভ্যাকসিন এখনও পর্যন্ত সুরক্ষিত। প্রতিটি ট্রায়ালেই কার্যক্ষমতা প্রমাণ করেছে ভ্যাকসিন। তবে গবেষকরা জোর দিচ্ছেন শরীরের স্বাভাবিক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার ওপরেই।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানাচ্ছে, ৬৫ থেকে ৭০ শতাংশ মানুষকে যদি ভ্যাকসিনের আওতায় আনা যায়, তবে করোনা মুক্ত হতে পারে পৃথিবী। যদিও তা বেশ সময় সাপেক্ষ।

Covid19 immunity, Covid Vaccine, Vaccine immunity, Natural immunity vs Vaccine Immunity

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।