নয়াদিল্লি: সবচেয়ে বড় সবজি বাজার আজাদপুর মান্ডি। করোনা ভাইরাসে শুধু ওই বাজারেই আক্রান্ত ১৫ জন। চিন্তা বাড়াচ্ছে করোনা ত্রস্ত দিল্লির শুধু তাই নয় গোটা দেশের।

সবজি মান্ডিতে ৪২ জনকে কোয়ারেন্টাইন করা হয়েছে, স্যাম্পেল নেওয়া হয়েছে ৪৫ জনের। এর আগে ১১ জন করোনা কারন্ত হয়েছিলেন এই সবজি মান্ডিতে।

এপ্রিলের ২৩ তারিখ ১৭ জনের স্যাম্পেল নেওয়া হয়েছে। তাঁদের রিপোর্ট এখনও আসেনি। অন্যদিকে সবজি বাজারে চলছে স্যানিটাইজেশনের কাজ। সেখানকার চেয়ারম্যান আদিল আহমেদ খান জানিয়েছেন, “বাজারে সোশ্যাল ডিসট্যানসিং মেনে চলা হচ্ছে”।

স্বাস্থ্য আধিকারিকরা বলছেন এখানে আরও করোনা সংক্রমিত খোঁজ মিলতে পারে। এই তথ্যে বাড়ছে আশঙ্কা। যদিও মার্কেটের সঙ্গে সকলে সরাসরি যুক্ত নয়।

স্বাস্থ্য আধিকারিকরা এখন তথ্য সংগ্রহ করছে যে কারা করোনা আক্রান্তদের সংস্পর্শে এসেছেন। একইসঙ্গে সবজি মাণ্ডিতে করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় চিন্তা বাড়ছে ব্যবসায়ীদের। জানা যাচ্ছে, করোনা সংক্রমণ বাড়ছে, একইসঙ্গে প্রভাবিত হচ্ছে ব্যবসাও।

এপ্রিলের ২৪ তারিখ একজন ব্যবসায়ী করোনা ভাইরাসে মারা গিয়েছেন তাই একধাক্কায় বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে ৩০০ সবজি দোকান। সেখানকার ব্যবসায়ীরা দিল্লি সরকারকে জানিয়েছেন, ১০০ একরের এই এলাকায় COVID-19 টেস্টের পরিমাণ বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে।

আজাদপুর আলাদাভাবে দিল্লি সরকারের কাছে রীতিমত চ্যালেঞ্জের মতন। কারণ সেখানে ঠাসাঠাসি অবস্থায় ২৮০০ দোকান যেখানে হাজারের বেশি মানুষ কর্মরত।

সম্প্রতি দিল্লির কেজরিওয়াল সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল আজাদপুর মান্ডি ঘুরিয়ে ফিরিয়ে চালানো হবে। যাতে কৃষক এবং ব্যবসায়ী উভয়েই সুরক্ষিত থাকেন এবং সব্জির দাম অতিরিক্ত না হয়। সরকার জানিয়েছিল, সব্জি এবং ফল সকাল ৬টা থেকে রাত ১০ টা পর্যন্ত বিক্রি করা হবে এবং রাত ১০ টা থেকে সকাল ৬ টা অবধি সব্জির ট্রাক সেখানে ঢুকবে।

পপ্রশ্ন অনেক: একাদশ পর্ব

লকডাউনে গৃহবন্দি শিশুরা। অভিভাবকদের জন্য টিপস দিচ্ছেন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ।