কলকাতা: বাংলায় একদিনে ৪৪ জনের মৃত্যু হয়েছে৷ এদের মধ্যে দু’টি জেলাতেই মৃতের সংখ্যা ২৯ জন৷ আর বাকি ২১ জেলায় গত ২৪ ঘন্টায় মৃত্যু হয়েছে মাত্র ১৫ জনের৷

শনিবার সন্ধ্যায় রাজ্য স্বাস্থ্য ভবন বুলেটিনের তথ্য অনুযায়ী,কলকাতায় একদিনে ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে৷ আর উত্তর ২৪ পরগণায় ১৩ জনের৷ হাওড়ার ৫ জন৷ দক্ষিণ ২৪ পরগণা ও নদিয়ায় ২ জন করে৷ এছাড়া হুগলি,পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম মেদিনীপুর,বীরভূম,মুর্শিদাবাদ ও উত্তর দিনাজপুরে ১ জন করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে৷

রাজ্যে মোট মৃতের সংখ্যা ৯,০১০ জন৷ এদের মধ্যে শুধু কলকাতায় মৃত্যু হয়েছে ২,৭৭১ জনের৷ আর উত্তর ২৪ পরগণায় মোট ২,১৪২ জনের মৃত্যু হয়েছে৷ এই দুই জেলায় মোট মৃত্যু ৪,৯১৩ জন৷ এবং বাকি ২১ জেলায় মাত্র ৪,০৯৭ জনের মৃত্যু হয়েছে৷

কলকাতায় মোট আক্রান্ত ১ লক্ষ ১৫ হাজার ৫৭৪ জন৷ এবং উত্তর ২৪ পরগণায় মোট আক্রান্ত ১ লক্ষ ৯ হাজার ৭০ জন৷ যদিও এই জেলায় মোট সুস্থ হয়ে উঠেছেন ১ লক্ষ ২ হাজার ৩১১ জন৷ আর কলকাতায় মোট সুস্থ হয়ে উঠেছেন ১ লক্ষ ৭ হাজার ২৬৫ জন৷

যার ফলে বর্তমানে উত্তর ২৪ পরগণায় চিকিৎসাধীন ৪,৬১৭ জন৷ অপরদিকে কলকাতায় ৫,৫৩৮ জন৷ একদিনে কমেছে যথাক্রমে ৯৩ ও ৮৪ জন৷

কলকাতা ও উত্তর ২৪ পরগনা ছাড়া উদ্বেগ বাড়াচ্ছে আরও কয়েকটি জেলার সংক্রমণ৷ এগুলো হল -হাওড়া, দক্ষিণ ২৪ পরগণা, হুগলী,দুই বর্ধমান,বাঁকুড়া,দুই মেদিনীপুর, নদীয়া,মুর্শিদাবাদ,মালদা,জলপাইগুড়ি, দার্জিলিং ও কোচবিহার৷

এদিনের স্বাস্থ্য দফতরের বুলেটিন অনুযায়ী, মোট আক্রান্ত যথাক্রমে
হাওড়া (৩২,৯৯০),দক্ষিণ ২৪ পরগনায়(৩৪,১৩১),হুগলী (২৬,৭৯৪),পশ্চিম বর্ধমান (১৪,১৬৬),পূর্ব বর্ধমান ( ১১,৪১১) জন, পূর্ব মেদিনীপুর ( ১৯,০৫৭), পশ্চিম মেদিনীপুর (১৮,৯৫৪) জন৷

এছাড়া বাঁকুড়া (১০,৬৬৩)জন,নদীয়া ( ১৯,৯৮২) জন,মুর্শিদাবাদ (১১,৩৬৬) জন, মালদা ( ১১,৯৪৪) জন, জলপাইগুড়ি (১৩,৫০৪) জন, দার্জিলিং (১৬,৬৯৪) জন ও কোচবিহার ( ১১,১৮০) জন৷ বাকি জেলায় সংক্রমণ ১০ হাজারের নিচে৷

বি: দ্র: – প্রতিদিন সন্ধ্যায় রাজ্য স্বাস্থ্য ভবন থেকে যে বুলেটিন প্রকাশিত হয়,তা আগের দিন সকাল ৯ টা থেকে তার পরের দিনের সকাল ৯ টা পর্যন্ত পরিসংখ্যান৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।