নয়াদিল্লি : দশ রাজ্যে পাঠানো হবে কেন্দ্রের উচ্চপদস্থ টিম। দেশের বর্তমান করোনা পরিস্থিতির দিকে নজর রেখে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দেশের যে ১০টি রাজ্যে কেন্দ্রীয় টিম মোতায়েন করা হবে সেগুলি হল, পশ্চিমবঙ্গ, মহারাষ্ট্র, কেরল, ছত্তিশগড়, মধ্যপ্রদেশ, গুজরাত, পঞ্জাব, কর্ণাটক, তামিল নাড়ু, জম্মু ও কাশ্মীর। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক জানিয়েছে এই রাজ্যগুলিতে ফের বাড়ছে করোনা সংক্রমণের হার, যা বেশ উদ্বেগের।

কেন্দ্রের টিম পুঙ্খানুপুঙ্খ ভাবে খতিয়ে দেখবে এই রাজ্যগুলির করোনা পরিস্থিতি। কেন রাজ্যগুলিতে সংক্রমণের হার বাড়ছে, কোন করোনা বিধি মেনে চলা হচ্ছে না, তার রিপোর্ট নেওয়া হবে। সেক্ষেত্রে রাজ্য গুলির স্বাস্থ্য দফতরের সঙ্গে সমন্বয় সাধন করে কাজ করতে পারে কেন্দ্রীয় টিম। এক সরকারি বিবৃতিতে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক জানিয়েছে যে যে রাজ্যগুলিতে টিম পাঠানো হবে, সেই রাজ্য সরকারকে আলাদা করে চিঠি পাঠানো হয়েছে। এই ১০টি রাজ্যর মধ্যে সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতি মহারাষ্ট্র, কেরল, ছত্তিশগড়, মধ্যপ্রদেশ, গুজরাত, পঞ্জাব, জম্মু ও কাশ্মীরের। এই রাজ্যগুলিকে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

নির্দিষ্ট করে দেওয়া রাজ্যগুলিকে দ্রুত কেন্দ্রকে রিপোর্ট পাঠাতে বলা হয়েছে। এরই সঙ্গে যাতে প্রতিদিন পর্যালোচনা বৈঠক করা হয়, তার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দশটি রাজ্যের মুখ্যসচিবদের বিশেষ নির্দেশ দিয়ে কেন্দ্রের স্বাস্থ্য সচিব জানিয়েছেন রাজ্য পরিদর্শনের সময় যেন কেন্দ্রীয় টিমের সঙ্গে সহযোগিতা করা হয়।

এদিকে, এখনও পর্যন্ত SARS-CoV-2 এর মোট ৭ হাজারটি মিউটেশনের খোঁজ পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। কিন্তু সবগুলো করোনার রূপ নয়। তবে তার মধ্যে আবার কিছু কিছু বেশ ভয়ঙ্কর। যার মধ্য়ে দুটি ইতিমধ্যেই দেশের দুই রাজ্যে প্রভাব ফেলেছে। ক্রমাগত বাড়ছে সংক্রমণ। বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, করোনা বিধি না মেনে চললে ভাইরাসের এই নতুন রূপটি দ্রুত সংক্রমণ ঘটাতে পারে।

এখন দেশে করোনার ৭ হাজার ৬৮৪টি মিউটেশন চোখ রাঙাচ্ছে। হায়দরাবাদের CSIR- সেন্টার ফর সেলুলার অ্যান্ড মলিকিউলার বায়োলজির সমীক্ষা বলছে, কিছু কিছু ক্ষেত্রে আতঙ্কের কারণ রয়েছে। CSIR-CCMB এর ডিরেক্টর ও সমীক্ষরা সহ লেখক রাকেশ মিশ্র জানিয়েছেন, ৬ হাজার ১৭টি জেনেরোম সিকোয়েন্স পর্যালোচনা করে এই ৭ হাজারেরও বেশি রূপ খুঁজে পাওয়া গিয়েছে। তবে করোনার ৭ হাজারটি ভেরিয়েন্ট গোটা দেশে ছড়িয়ে পড়েছে এমন নয়। ভাইরাস যে আশঙ্কা মতো মিউটেশন করছে এই ঘটনাই তার প্রমাণ। ইতিমধ্যেই তাঁরা এই মিউটেশন নিয়ে তথ্য জানতে পেরেছেন। গোটা দেশে এখন কত ভেরিয়েন্ট রয়েছে এখন তা বলা শক্ত বলেও জানিয়েছেন তিনি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।