নয়াদিল্লি: গোটা দেশে তাণ্ডব চালাচ্ছে করোনার সেকেন্ড ওয়েভ। রাজ্যে-রাজ্যে করোনার গ্রাফ ঊর্ধ্বমুখী। ইতিমধ্যেই করোনার বেশ কয়েকটি স্ট্রেন বিপদ বাড়াচ্ছে। বাংলাতেও সম্প্রতি করোনার এক নয়া স্ট্রেনের হদিশ মিলেছে। কল্যাণীর ‘ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অফ বায়োমেডিক্যাল জিনোমিক্স’ বা NIBMG-তে মিউটেশন হওয়া করোনাভাইরাসের জিনোম সিকোয়েন্সে নতুন স্ট্রেন ‘B.1.618’-এর অস্তিত্ব মিলেছে।

এই মুহূর্তে দেশে করোনার দু’টি টিকার প্রয়োগ চলছে। সেরামের ‘কোভিশিল্ড’ ও ICMR ও ভারত বায়োটেকের বিজ্ঞানীদের তৈরি ‘কোভ্যাক্সিন’। এখনও পর্যন্ত এই দুটি টিকাই প্রয়োগ করা হচ্ছে দেশজুড়ে। ভারত বায়োটেকের কোভ্যাক্সিন করোনার একাধিক স্ট্রেনের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সক্ষম, এমনই দাবি ICMR-এর।

দেশজুড়ে বাড়ছে করোনার প্রকোপ। প্রতিদিনই গোটা দেশে করোনা আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা ঊর্ধ্বমুখী। রাজ্যে-রাজ্যে ছড়াচ্ছে সংক্রমণ। পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মৃত্যু। গোটা দেশের স্বাস্থ্য পরিকাঠামো ফের একবার কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে দাঁড়িয়ে। এই পরিস্থিতিতে দেশবাসীকে সচেতন ও সতর্ক থাকতে বারবার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। করোনা মোকাবিলায় একাধিক রাজ্যে লকডাউন, নাইট কারফিউ-সহ একগুচ্ছ বিধি-নিষেধ আরোপ করা হয়েছে। তবুও সংক্রমণে লাগাম পরানো যাচ্ছে না। বরং দিন দিন তা আরও বাড়ছে।

বুধবারও ফের রেকর্ড ভেঙে নতুন রেকর্ড তৈরি করল করোনা। এদিন সকালে স্বাস্থ্যমন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যানে চোখ কপালে ওঠার জোগাড়। নতুন করে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে প্রায় ৩ লক্ষ মানুষ করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। একদিনে গোটা দেশে ২ হাজারেরও বেশি মানুষ করোনার বলি হয়েছেন।

একাধিক উদ্যোগ নিয়েও রাশ টানা যাচ্ছে না সংক্রমণে। রাজধানী দিল্লি, মহরাষ্ট্র, পঞ্জাব, হরিয়ানা, তেলেঙ্গানা, তামিলনাড়ু, পশ্চিমবঙ্গ, উত্তরপ্রদেশ, গুজরাত, মধ্যপ্রদেশ-সহ দেশের অধিকাংশ রাজ্যে হু হু করে ছড়াচ্ছে সংক্রমণ। বুধবার সকাল পর্যন্ত দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ১ কোটি ৫৬ লক্ষ ১৬ হাজার ১৩০। দেশে করোনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে১ লক্ষ ৮২ হাজার ৫৫৩। দেশে এই মুহূর্তে করোনা অ্যাক্টিভ কেস ২১ লক্ষ ৫৭ হাজার ৫৩৮। এখনও পর্যন্ত ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে দেশের ১৩ কোটি ১ লক্ষ ১৯ হাজার ৩১০ জনকে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.