নয়াদিল্লি: করোনার নয়া স্ট্রেনের হামলায় ত্রস্ত বিশ্ব। ব্রিটেন-সহ গোটা ইউরোপ করোনার নয়া স্ট্রেনের হামলায় তটস্থ। ব্রিটেন-সহ একাধিক দেশ পরিস্থিতি সামাল দিতে লকডাউন জারি করেছে। ভারতেও উদ্বেগ বাড়িয়েছে করোনার নয়া স্ট্রেন।

ইতিমধ্যেই আক্রান্তও হয়েছেন অনেকে। এই আবহেই এবার আশার বাণী শোনাল কেন্দ্রীয় সরকারের সংস্থা ICMR। সংস্থার দাবি, ভারত বায়োটেক ও তাদের তৈরি করোনার প্রতিষেধক কোভ্যাক্সিন করোনার নয়া স্ট্রেনের বিরুদ্ধেও মানবদেহে প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি করতে পারে।

বিশ্বের একাধিক দেশের পাশাপাশি করোনাকে হারাতে ভারতেও টিকাকরণ কর্মসূচি জারি রয়েছে। ইতিমধ্যেই দেশে জরুরি ভিত্তিতে দু’টি প্রতিষেধককে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। দেশজুড়ে শুরু হয়েছে টিকাকরণ কর্মসূচি। অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রোজেনেকার কোভিশিল্ড-এর পাশাপাশি ভারত বায়োটেক ও আইসিএমআর-এর তৈরি কোভ্যাক্সিন প্রতিষেধক দেওয়া হচ্ছে রাজ্যে-রাজ্যে।

কেন্দ্রীয় সরকারের তৎপরতায় রাজ্যে-রাজ্যে পাঠানো হচ্ছে ভ্যাকসিন। প্রথম পর্বে ৩ কোটি ফ্রন্টলাইন ওয়ার্কারকে এই ভ্যাকসিন দেওয়া হচ্ছে। চিকিৎসক, নার্স-সহ সব স্বাস্থ্যকর্মী, পুলিশ, আধা-সামরিক বাহিনী, সেনাবাহিনী-সহ দেশের সব স্তরের নিরাপত্তাবাহিনীর সদস্যদের করোনার ভ্যাকসিন দেওয়া হচ্ছে। ইতিমধ্যেই ব্রিটেনে করোনার নয়া স্ট্রেনের আতঙ্কে ভুগছে গোটা বিশ্ব।

বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন,আগেরে চেয়ে করোনার নয়া স্ট্রেন অনেক বেশি প্রাণঘাতী। কেন্দ্রীয় সরকারের সংস্থা ICMR এবার আশার বাণী শোনাল। সংস্থার দাবি, তাঁদের তৈরি কোভ্যাক্সিন প্রয়োগের পর দেখা মানবশরীরে প্রতিরোধ গড়ে উঠতে দেখা গিয়েছে।

উল্লেখ্য, হায়দরাবাদের ওষুধ প্রস্তুতকারক সংস্থা ভারত বায়োটেক ও কেন্দ্রীয় সরকারের সংস্থা ICMR-এর যৌথ গবেষণায় করোনার প্রতিষেধক কোভ্যাক্সিন তৈরি হয়েছে। যা ইতিমধ্যেই দেশের বিবিন্ন রাজ্যে পাঠানোও হয়েছে। ভারত বায়োটেক আগেই দাবি করেছিল, যে তাদের তৈরি ভ্যাক্সিন করোনার নয়া স্ট্রেনের বিরুদ্ধেও সমানভাবে কার্যকরী।

সম্প্রতি ICMR-এর গবেষকরা প্রতিষেধকটির কার্যকারিতা নিয়ে ফের গবেষণা চালিয়েছেন। সংস্থার দাবি, গবেষণায় প্রমাণ হয়েছে যে করোনার নয়া স্ট্রেনের বিরুদ্ধেও সমানভাবে কার্যকরী ভূমিকা নিচ্ছে কোভ্যাক্সিন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।