নয়াদিল্লি : ভারত বায়োটেকের তৈরি কোভ্যাক্সিন দ্বিতীয় ট্রায়ালে সফল। এবার এই ভ্যাকসিন তৈরি তৃতীয় পর্যায়ের জন্য। ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিক্যাল রিসার্চ বা আইসিএমআরের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে করোনা প্রতিষেধক কোভ্যাক্সিন তৈরি করছে ভারত বায়োটেক।

হায়দরাবাদের এই ভ্যাকসিন প্রস্তুতকারক দোসরা অক্টোবর দ্বিতীয় পর্যায়ের ট্রায়াল রিপোর্ট জমা দেয় ডিজিসিআইয়ের কাছে। তারপরেই সেটি সফল বলে ঘোষণা করা হয়। অনুমতি মেলে তৃতীয় পর্যায়ের ট্রায়ালের। ভারত বায়োটেক জানিয়েছে দ্বিতীয় ট্রায়ালে ১৯টি জায়গায় পরীক্ষা চলেছে, ১৮ বছর বয়েসী ও তার থেকে বড় বয়সের মানুষের ওপর। ২৮৫০০ জন স্বেচ্ছাসেবক এই ট্রায়ালে অংশ নিয়েছিলেন।

দিল্লি, মুম্বই, পাটনা ও লখনউ সমেত ১০ টি রাজ্যে এই ট্রায়াল চলে বলে জানা গিয়েছে। ভারত বায়োটেক ছাড়াও জাইডাস ক্যাডিলা তৈরি করছে করোনার ভ্যাকসিন। এটি দ্বিতীয় পর্যায়ের ট্রায়ালে রয়েছে।

আরও পড়ুন – গত তিন বছর তৃণমূলের সঙ্গে বোঝাপড়া ছিল ‘ফেরার’ গুরুংয়ের: অশোক ভট্টাচার্য

এছাড়াও, ব্রিটিশ ফার্মা সংস্থা ‘অ্যাস্ট্রা জেনেকা’র সঙ্গে যৌথভাবে ভ্যাক্সিন তৈরি করছে ভারতের ‘সেরাম ইনস্টিটিউট অফ ইন্ডিয়া।’ জানা গিয়েছে, সেরাম ইনস্টিটিউট অফ ইন্ডিয়া পরিকল্পনা তৈরি করেছে যে, ২০২০-র শেষেই প্রত্যেক মাসে ১০০ মিলিয়ন ডোজ ভ্যাক্সিন তৈরি করা হবে। ওই সংস্থা সম্প্রতি, বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশন থেকে ১৫০ মিলিয়ন ১৫০ মিলিয়ন ডলার পেয়েছে এই সংস্থা।

সেরাম ইনস্টিটিউট অফ ইন্ডিয়া ব্রিটিশ সংস্থা অ্যাস্ট্রাজেনেকার সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধেছে। অক্সফোর্ডের তৈরি ভ্যাক্সিন তৈরি করছে এই অ্যাস্ট্রাজেনেকা। চুক্তি অনুযায়ী, সেরাম ইনস্টিটিউট অফ ইন্ডিয়া ভারতে উৎপাদন করবে সেই ভ্যাক্সিন, যার নাম হবে ‘কোভিশিল্ড।’

এদিকে, দ্রুত ভ্যাক্সিন আনার জন্য তোড়জোড় চলছে বিশ্ব জুড়ে। ইঙ্গিত যা মিলছে তাতে, শীঘ্রই ভারতে ভ্যাক্সিন মিলতে পারে। অন্তত বয়স্ক বা ফ্রন্টলাইনে কাজ করা ব্যাক্তিদের ভ্যাক্সিন পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে মাস কয়েকের মধ্যেই। তাই ভ্যাক্সিন কিনতে কয়েক শ কোটি টাকা মজুত রেখেছে কেন্দ্র। ভারত অত্যন্ত জনবহুল একটি দেশ। আর সেখানে ভ্যাক্সিনের জন্য অনেক বেশ টাকাও প্রয়োজন। তাই কেন্দ্রীয় সরকারকে।

সূত্রের খবর, প্রাথমিকভাবে ৫০,০০০ কোটি টাকা সরিয়ে রেখেছে। মোটামুটিভাবে যে হিসেব করা হয়েছে তাতে, প্রত্যেক শটের দাম ধরা হয়েছে ২ ডলার। এছাড়া স্টোরেজ সহ সব খরচ নিয়ে ৬-৭ ডলার প্রতি জন। আর ভারতের মোট জনসংখ্যা প্রায় ১৩০ কোটি।

কেন্দ্রের তরফে জানা গিয়েছে, ভ্যাক্সিনের জন্য টাকার নিয়ে যাতে কোনও সমস্যা না হয় তার সব ব্যবস্থা থাকছে। ধরা হচ্ছে, প্রত্যেকে দুটি শট ভ্যাক্সিন নেবে। এছাড়া ইনফ্রাস্ট্রাকচার ও স্টোরেজের কিছু আলাদা খরচ রয়েছে।

জেলবন্দি তথাকথিত অপরাধীদের আলোর জগতে ফিরিয়ে এনে নজির স্থাপন করেছেন। মুখোমুখি নৃত্যশিল্পী অলোকানন্দা রায়।