করাচি:  পাকিস্তানের সোশ্যাল মিডিয়া তারকা কান্দিল বালোচ হত্যা-কাণ্ডে চাঞ্চল্যকর মোড়। বালোচকে খুনের অভিযোগে তাঁর ভাই মহম্মদ ওয়াসিমকে গ্রেফতার করা হয়। কিন্তু সম্প্রতি পলিগ্রাফ টেস্টে উঠে এসেছে এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। জানা গিয়েছে, ওয়াসিম নয়, কান্দিলকে খুন করেছে তার তুতো ভাই হক নওয়াজ।  শনিবার পাকিস্তান পুলিশ ওয়াসিম ও হকের পলিগ্রাফ পরীক্ষা করে। সেই পরীক্ষায় জানা গেছে, গত ১৫ জুলাই রাতে কান্দিলের গলায় ফাঁস লাগিয়ে খুন করে হয়। সেই সময় বোনের হাত-পা চেপে ধরেছিল ওয়াসিম। পাক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে জানা গিয়েছে, খুন করেছিল হক নওয়াজই। আরও জানা গিয়েছে, খুনের খবর যাতে কান্দিলের পরিবারের অন্য সদস্যদের কাছে না পৌঁছয় সে কারণে এই খুনের আগে হক ও ওয়াসিম কান্দিল ও তাঁর বাবা-মাকে মাদক খাইয়ে দিয়েছিল। শুধু তাই নয় তদন্তে আরও জানা গিয়েছে, কান্দিলের দাদা আরিফ এই খুনের জন্য ওয়াসিমের ওপর চাপ তৈরি করে। আরিফ সৌদি আরবে থাকে। এরপরই হক ও ওয়াসিম কান্দিলকে খুনের ছক কষে। তদন্তে উঠে আসা সমস্ত তথ্য এবং পলিগ্রাফের বক্তব্য রেকর্ড করেছে পাকিস্তান পুলিশ।
প্রসঙ্গত, গত কয়েক সপ্তাহ আগে পরিবারের ‘সম্মান রক্ষা’র অজুহাতে কান্দিল বালোচকে খুন করা হয়। এই খুনের জন্য গ্রেফতার করা হয়েছিল তার ভাই ওয়াসিমকে ।ওয়াসিম ওই খুনের কথা স্বীকারও করেছিল। পলিগ্রাফ টেস্টে যা জানা গেল তা নিয়ে যথেষ্ট উদ্বেগে পাক পুলিশ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।