মুম্বই: ‘মিলনের জন্য অতৃপ্ত ক্ষুধা, সঙ্গে স্বৈরাচারী’। এই অভিযোগে স্ত্রীয়ের বিরুদ্ধে ডিভোর্স চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ স্বামী। মুম্বইয়ের এক পারিবারিক আদালতের বিচারক সব শুনে তাঁদের ডিভোর্স মঞ্জুরও করলেন।

গত জানুয়ারি মাসে এক ব্যাক্তি পারিবারিক আদালতের দ্বারস্থ হয়ে অভিযোগ করেন, তাঁর স্ত্রী মিলনের জন্য আক্রমনাত্মক, শয্যায় একগুঁয়ে এবং স্বৈরাচারী। কারণে-অকারণে স্বামীর সঙ্গে ঝগড়া করেন। ২০১২ তাদের বিয়ের পর থেকেই প্রতিরাতে একই সমস্যা। তিনি আরও অভিযোগ করেন, মিলনের জন্য তাঁর স্ত্রী তাঁকে বিভিন্ন যৌনশক্তি বর্ধক ওষুধ ও পানীয় খেতে বাধ্য করতেন।

স্বামীর দাবি, বেসরকারি অফিসে কাজ করার জন্য প্রায়শই তাঁকে একাধিক শিফটে কাজ করতে হয়। রোজ রাতে মিলিতে হতে তাঁর ইচ্ছে করত না। তখন তাঁর স্ত্রী তাঁকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতেন। ২০১৩ সালে পেটে সংক্রমণ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন অভিযোগকারী। ডাক্তার তাঁকে কয়েকদিন শয্যায় মিলিত না হয়ে বিশ্রাম নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন। কিন্তু তাঁর স্ত্রী সেইসময়েও তাঁর সঙ্গে মিলিত হতে জোর করতেন বলে পিটিশনে জানিয়েছেন অভিযোগকারী। স্বামীর এও দাবি, মিলিত হওয়ার সময় তাঁকে এমন কিছু শৃঙ্গার করতে হত যা তাঁর শরীরের জন্য বিপজ্জনক হয়ে উঠত।

আদালতের কাছে ওই ব্যাক্তি আবেদন করেন, এমন স্ত্রীয়ের সঙ্গে এক ছাদের নিচে থাকা সম্ভব নয়। আদালতে যেন তাদের ডিভোর্সের আবেদন মঞ্জুর করেন। আদালত জানিয়েছে, অভিযুক্ত অনুপস্থিত থাকায় তাঁর বিরুদ্ধে আবেদনকারী যে সমস্ত অভিযোগ এনেছেন তাকে চ্যালেঞ্জ করা যায়নি। তাই আদালত অভিযোগকারীর আনা ডিভোর্সের আবেদন মঞ্জুর করল। পারিবারিক আদালতের প্রধান বিচারক লক্ষ্মী রাও এই নির্দেশ দিয়েছেন।