নয়াদিল্লি: বছর ঘুরলেই বাংলায় বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহেই মোদী মন্ত্রিসভার রদবদলের সম্ভাবনা প্রবল। কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার রদবদল হলে শিকে ছিঁড়তে পারে বাংলা থেকে বিজেপির টিকিটে জেতা বেশ কয়েকজন সাংসদের। বিধানসভা ভোটের আগে বঙ্গবাসীর মন পেতে বাংলার বেশ কয়েকজন সাংসদকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী করতে পারেন মোদী-শাহরা।

সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে ডিসেম্বর মাসের শুরুতেই কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় রদবল করা হবে। বেশ কয়েকজন সাংসদকে পূর্ণমন্ত্রী ও রাষ্ট্রমন্ত্রীর মর্যাদা দেওয়া হতে পারে। সেক্ষেত্রে নজর বাংলায়। ২০১৯ সালের লোকসভা ভোটে পশ্চিমবঙ্গে আশাতীত সাফল্য পেয়েছে গেরুয়া শিবির। বাংলা থেকে বিজেপির টিকিটে জিতেছেন ১৮ জন সাংসদ। লোকসভায় ১৮টি আসন পাওয়ার পরেও বাংলা থেকে মাত্র দু’জনকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সভায় স্থান দেওয়া হয়েছিল।

বিষয়টি নিয়ে রাজ্য বিজেপির অন্দরেও অসন্তোষ তৈরি হয়। যদিও প্রকাশ্যে কখনই বিজেপি নেতা এব্যাপারে মুখ খোলেননি। তবে এরাজ্যে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচন। ইতিমধ্যেই বিহারে বিপুল সাফল্য নিয়ে তৈরি হয়েছে এনডিএ সরকার।

বিজেপি ভালো ফল করেছে বাংলার এই পড়শি রাজ্যে। এবার টার্গেট পশ্চিমবঙ্গ। বাংলা দখলে মরিয়া পদ্ম-শিবির। ইতিমধ্যেই রাজ্যে ঘুরে গিয়েছেন অমিত শাহ, জেপি নাড্ডারা। সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে ডিসেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে রাজ্যে আসতে পারেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

তার আগেই কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় রদবদলের সম্ভাবনা প্রবল। এবার বাংলা থেকে আরও কয়েকজন সাংসদকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী করা হতে পারে। জানা গিয়েছে, একজন পূর্ণমন্ত্রী ছাড়াও কমপক্ষে ৩ সাংসদকে রাষ্ট্রমন্ত্রীর মর্যাদা দেওয়া হতে পারে।

পশ্চিমবঙ্গ থেকে জেতা বিজেপি সাংসদদের কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় জায়গা দিয়ে দলের রাজ্য নেতৃত্বকে আরও বেশি গুরুত্ব দিতে চাইছে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। এই তৎপরতায় একদিকে যেমন বঙ্গ বিজেপি ব্রিগেড চাঙ্গা হবে, তেমনই রাজ্যবাসীর মন পেতে বেশ খানিকটা সুবিধা হবে বলে মনে করছে বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।