এই কঠিন সময় আমরা সকলেই দুশ্চিন্তায় ভুগছি। কাজ হারানোর চিন্তা, স্বজন হারানোর যন্ত্রণা আবার আপন জনের থেকে দূরে থাকার কষ্ট সব মিলিয়ে আমাদের প্রতিদিন কাটাতে হচ্ছে দুশ্চিন্তা নিয়ে।

২০২০ লকডাউন (lockdown 2020) এর সময় বহু সম্পর্ক ভেঙে গেছে নানা কারণে। ইতিমধ্যে ২০২১ (lockdown 2021) সালেও সেই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হয়েছে অনেকের ক্ষেত্রেই।

শুধু তাই না এমনও হয়েছে যে স্বামী বা স্ত্রী বিয়ের পরে দূরে গিয়ে আর লক ডাউনে ফিরতে পারেননি। সেই অভিমানে সেই সম্পর্কও ঠেকেছে তলানিতে।

যেহেতু কাছের মানুষটিকে দেখতে পাওয়া যাচ্ছে না অথবা তার একটু ছোঁয়া পাওয়া যাচ্ছে না তাই বহু মানুষই সম্পর্ক নিয়ে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন আবার কেউ কেউ সম্পর্ক টিকবে কিনা তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন।

আরো পোস্ট-  চোখের উপর চাপ…ব্রেক নিন আর করুন এই ব্যায়াম

উপরন্তু কাজের চাপ এবং বাড়ির নানা রকম চিন্তাভাবনা এসে ভিড় করছে মাথায়। তাই সম্পর্কটাকে নিয়ে কিভাবে এগোবেন তারা এই নিয়ে আবার নতুন করে ভাবছেন। বলা বাহুল্য তার ফলাফল ব্রেকআপ।

তবে এই কঠিন পরিস্থিতির মধ্যেই সঙ্গীর হাত ছাড়ার থেকে বরঞ্চ তার আরো কাছে এসে তাকে সুরক্ষিত অনুভব করানোটাই সঠিক প্রেমিক বা প্রেমিকার লক্ষণ।

১. খোঁজ নেওয়া: যতই কাজের চাপ থাকুক না কেন সঙ্গীকে একটিবার মেসেজ বা ফোন করে জিজ্ঞাসা করুন তিনি কেমন আছেন। এই একটা প্রশ্নেই দেখবেন তিনি অনেকটা চাপমুক্ত হয়ে গিয়েছেন।

তিনি যেন কোনোভাবেই মনে না করেন যে এই কঠিন সময়ে আপনি তার কাছ থেকে দূরে সরে যেতে চাইছেন।

২. ভিডিও কল: সঙ্গীর খোঁজ নেওয়ার অন্যতম সহজ ও কার্যকর উপায় হলো ভিডিও কল। দিনে অন্তত দুই থেকে তিনবার ভিডিও কল করুন প্রেমিক বা প্রেমিকাকে বা স্ত্রী বা স্বামীকে।

আপনার হাসিমুখটা দেখলে তার সমস্ত সমস্যা এমনিই মিটে যাবে।

৩. ভার্চুয়াল ডেট (virtual date night): যোজন দূরে থাকলেও কাছে আসার অনুভূতিটি দুজনে একসাথেই অনুভব করতে পারেন। দুজনেই একই সময় বাড়ির কোনো এক কোনায় সুন্দর করে সাজানো টেবিলে বসে দুজনের সঙ্গে আলাদাভাবে সময় কাটান ভিডিও কলে।

সঙ্গে থাকুক সুসজ্জিত কিছু খাবার। ভার্চুয়াল ডেট নাইট (virtual date night) একেবারে ভরে উঠবে ভালোবাসায়।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.