নয়াদিল্লি: দেশের ২১টি কেন্দ্রীয় বিদ্যালয় ভবন আর সুরক্ষিত নয়৷ লোকসভায় জানালেন কেন্দ্রীয় মানবসম্পদ উন্নয়মন্ত্রী রমেশ পোখরিয়াল নিশাঙ্ক৷ সেফটি অডিট রিপোর্টে এই তথ্য উঠে এসেছে বলে সংসদে জানান মন্ত্রী৷

কেন্দ্রীয় সরকার পরিচালিত এই সব স্কুলগুলিকে দেশের অন্যতম ভালো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বলে মনে করা হয়৷ এহেন স্কুল ভবনগুলির বেহাল অবস্থায় নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে৷ মন্ত্রীর কথানুযায়ী বেহাল এই সব স্কুলগুলি দেশের সীমান্ত, পার্বত্য এলাকা ও আদিবাসী অধ্যুষিত অঞ্চলে অবস্থিত৷

এদিন লোকসভায় কেন্দ্রীয় মানব সম্পদ উন্নয়নমন্ত্রী বলেন, ‘‘কেন্দ্রীয় বিদ্যালয় সংগঠন প্রকল্পের আওতায় একটি অডিট করা হচ্ছে৷ ১০ বছরের বেশি পুরনো কেন্দ্রীয় বিদ্যালয় ভবনগুলির উপর এই অডিট চলছে৷ আইআইটি, এনআইটি ও সরকারি বিভিন্ন ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ এই কাজ করেছে৷ তাদের দেওয়া রিপোর্টের ভিত্তিতেই বলা হচ্ছে কোথাউ আংশিক আবার কোথাউ পুরো ভবনই ক্ষতিগ্রস্থ৷’’

ভগ্ন দশা মহারাষ্টের নাসিক থানের এবং গুজরাটের জামনগর এবং চান্দায় অবস্থিত কেন্দ্রীয় বিদ্যালয় ভবনগুলির৷ এই ভবনগুলি সংস্কারের অনুমোদন ইতিমধ্যেই দেওয়া হয়েছে৷ সংস্কারকালে পড়ুয়াদের অন্যত্র পঠনপাঠনের ব্যবস্থাও করা হয়েছে৷ বাকি ১৭টি কেন্দ্রীয় বিদ্যালয়ের ভবন সংস্কারেরও ভাভনা রয়েছে কেন্দ্রীয় সরকারের৷ কিন্তু, অর্থের যোগানের ভিত্তিতে তা হবে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী৷

তবে, ভগ্নপ্রায় বা নিরাপত্তাহানি হতে পারে এমনকোনও ভবনেই কেন্দ্রীয় বিদ্যালয়ের পঠনপাঠন চলবে না বলে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে লোকসভায় বলেন মানব সম্পদ উন্নয়নমন্ত্রী রমেশ পোখরিয়াল নিশাঙ্ক৷