ইসলামাবাদ: কাশ্মীর ইস্যুতে পাকিস্তানের পাশে না দাঁড়ালে ভুগতে হবে ভারতকে সমর্থন করা দেশগুলিকে। ঠিক এই ভাষাতেই কার্যত হুমকি দিতে শোনা গেল এক পাক মন্ত্রীকে।

জম্মু এবং কাশ্মীরের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে ইতিমধ্যেই ২০ সদস্যের ইউরোপীয় পার্লামেন্টের সাংসদরা ভূস্বর্গে পৌঁছেছেন। ঠিক এই সময়েই স্থানীয় এক পাক চ্যানেলে কাশ্মীর এবং গিলগিট-বালতিস্তান বিষয়ক মন্ত্রী আলি আমিন গান্ডাপুর বলেন, “কাশ্মীর বিষয়ে পাকিস্তানের পাশে যদি কোন দেশ না দাঁড়ায়, তাঁরা এই দেশের শত্রু। আর তাই যুদ্ধের পরিস্থিতিতে পাকিস্তানের মিসাইলও সেই সব দেশে আঘাত হানতে পারে।”

জম্মু-কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা বিলোপের পর থেকেই কাশ্মীর নিয়ে সরব হয়েছে ইসলামাবাদ। উপত্যকাকে অশান্ত করার জন্য পাক মদতপুষ্ট জঙ্গিরা ভারতে ঢুকছে বলে বারংবার অভিযোগ জানিয়ে এসেছে ভারত। তবে এই দাবি নস্যাৎ করে এসেছে পাকিস্তান। দিওয়ালীর আগেই সংঘর্ষ-বিরতি লঙ্ঘন করে গোলাবর্ষণ করে। জবাবে পাক অধিকৃত কাশ্মীরের নীলম উপত্যকায় সীমান্ত লাগোয়া অঞ্চলে বেশ কিছু জঙ্গি লঞ্চপ্যাড গুঁড়িয়ে দেয় ভারত। ৬-৭ জন জঙ্গি এবং বেশ কিছু পাক সেনা এই প্রত্যাঘাতে হত হয়েছে বলে দাবি করেন ভারতীয় সেনাপ্রধান।

গত সপ্তাহেই কাশ্মীরের পুলওয়ামা জেলার ত্রালে তিন জঙ্গির সঙ্গে গুলি বিনিময়ে হয় সেনার। সেনার সঙ্গে গুলিযুদ্ধে নিহত হয় কাশ্মীরে আল-কায়দার শাখা সংগঠনের নেতা হামিদ লেলহারি সহ দুই জঙ্গি। এরপরেও নানা সময়ে বারবার ভূস্বর্গকে অশান্ত করে তোলার চেষ্টা চালাচ্ছে জঙ্গিরা। গত শনিবারেই শ্রীনগরের লাল চক লাগোয়া করন নগরে সিআরপিএফের উপর গ্রেনেড হামলা চালানো হয়। আর এইসবের মাঝেই পাক মন্ত্রীর এই ধরণের মন্তব্য ঘিরে শুরু হয়েছে বিতর্ক। আলি আমিনের এই বক্তব্যকে দায়িত্বজ্ঞানহীন বলেও তুলোধোনা করেছেন বহুদেশের রাজনৈতিক নেতারা।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ