নয়াদিল্লি : ২০২১ সালের প্রথম উৎক্ষেপণ (Isro’s first mission in 2021)। অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে ইসরো। রবিবার সকাল ১০টায় উৎক্ষেপিত হবে পিএসএলভি সি-৫১। এই প্রথম কোনও পিএসএলভিতে থাকছে ভাগবত গীতার সংস্করণ (Bhagavad Gita)। এছাড়াও থাকছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর একটি ছবি (new satellite to carry PM Modi’s photo)।

২৮শে ফেব্রুয়ারি অর্থাথ সতীশ ধাওয়ান স্পেস রিসার্চ অর্গানাইজেশনের শ্রীহরিকোটা রেঞ্জ থেকে এই পিএসএলভি সি-৫১ উৎক্ষেপিত হবে বলে খবর। আবহাওয়ার পরিস্থিতি বিচার করে পিএসএলভির উৎক্ষেপণে চূড়ান্ত সম্মতি দেওয়া হবে। প্রাথমিক ভাবে সকাল ১০.২৪ মিনিটে শ্রীহরিকোটা থেকে যাত্রা শুরু করার কথা পিএসএলভি সি-৫১-র।

এদিন ইসরো জানিয়েছে বেশ কয়েকটি মাধ্যমে লাইভ সম্প্রচার দেখা যাবে PSLV-C51/Amazonia-1-এর উৎক্ষেপণ। সেই লিংকগুলি দিয়ে একটি ট্যুইটও করেছে তাঁরা। ব্রাজিলে তৈরি স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করতে পেরে বেশ খুশি ইসরো (ISRO) বলে প্রতিক্রিয়া জানানো হয়েছে।

ইসরো জানিয়েছে প্রস্তুতি শেষ। এবার কাউন্টডাউন শুরু (Countdown begins)। চতুর্থবারের জ্বালানি ভরার কাজও শেষ হয়েছে সাফল্যের সাথে। লঞ্চ রিহার্সালও শেষ হয়েছে পিএসএলভি সি-৫১-র। এই পিএসএলভির মূল স্যাটেলাইট হল ব্রাজিলের Amazonia-1। Amazonia-1-এর ওজন ৬৩৭ কেজি। এরই সঙ্গে থাকছে আরও ১৮টি স্যাটেলাইট (18 co-passenger satellites)। এর মধ্যে রয়েছে ভারতের স্যাটেলাইটও। সম্পূর্ণ দেশীয় পদ্ধতিতে তৈরি উপগ্রহ মহাকাশে পাঠাতে চলেছে ইসরো। এগুলির নাম দেওয়া হয়েছে আনন্দ, সতীশ ধাওয়ান স্যাটেলাইট ও ইউনিটিস্যাট। সেই দিকে নজর রেখেই আত্মনির্ভর ভারত প্রকল্পের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

সম্পূর্ণ দেশীয় পদ্ধতিতে তৈরি স্যাটেলাইট পাড়ি দিচ্ছে মহাকাশে। তাই আত্মনির্ভর ভারতের বিজ্ঞাপন হিসেবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ছবি রাখা হয়েছে স্যাটেলাইটে। সতীশ ধাওয়ান স্যাটেলাইটটি স্পেস কিডস ইন্ডিয়া স্টার্টআপের মাধ্যমে গড়ে তোলা হয়েছে বলে খবর। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর আত্মনির্ভর ভারত মিশনের আওতায় এই স্যাটেলাইটগুলি গড়ে তোলা হয়েছে। অন্যদিকে Amazonia-1 ব্রাজিলের তৈরি উপগ্রহ, যা মূলত অপটিক্যাল আর্থ অবজারভার। বোতাম টিপে এই মিশনের সূচনা করতে চলেছেন ইসরোর চেয়ারপার্সন কে শিবন ও সায়েন্টেফিক সেক্রেটারি আর উমামহেশ্বরম।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।