নয়াদিল্লি: করোনার দ্বিতীয় ঢেউ আছড়ে পড়েছে ভারতে। দেশের প্রায় সর্বত্র দেখা গিয়েছে অক্সিজেনের হাহাকার। কিন্তু এই পরিস্থিতির মধ্যেও প্রয়োজনীয় মেডিক্যাল সরঞ্জাম নিয়ে চলছে কালোবাজারি। এই প্রসঙ্গে রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির সরকারকে অবিলম্বে সারা দেশে প্রয়োজনীয় মেডিক্যাল সরঞ্জামের কালোবাজারির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি তুলল অ্যান্টি-গ্রাফ্ট ওয়াচডগ ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল ইন্ডিয়া (TII)। দুর্নীতিকে এই সংস্থা ‘দ্বিতীয় মহামারী’ বলে অভিহিত করেছে।

দেশজুড়ে করোনা ক্রমশ বাড়ছে। এর মোকাবিলা করতে মেডিক্যাল সরঞ্জাম, অক্সিজেন, ওষুধ, অ্যাম্বুলেন্স, বিছানা এবং ভেন্টিলেটর প্রয়োজন। অ্যান্টি-গ্রাফ্ট ওয়াচডগ ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল ইন্ডিয়ার নির্বাহী পরিচালক রমা নাথ ঝা বলেছেন, এই সময় রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের সরকারগুলির চাহিদা এবং সরবরাহের মধ্যে সামঞ্জস্য রেখে দুর্নীতি রোধ করে গোটা বিষয়টি সঠিকভাবে পরিচালনা করা উচিত। সরকারকে অবিলম্বে মেডিক্যাল সরঞ্জামের কালোবাজারির বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিতে হবে এবং সারাদেশে পরিষেবা সক্রিয় করতে হবে। তবেই “দ্বিতীয় মহামারী”কে রোধ করা যাবে।

এই কাজ সহজ করতে সরকারের সঙ্গে নাগরিক সমাজ এবং জনহিতকর প্রতিষ্ঠানগুলির মধ্যে সমন্বয় থাকা উচিত বলেও জানিয়েছে TII। এক্ষত্রে প্রতিটি জেলায় “দুর্নীতি দমন কন্ট্রোল রুম” স্থাপন করা হতে পারে। ফোন ও প্রযুক্তির সাহায্যে এই কন্ট্রোল রুমের সঙ্গে যোগাযোগ যাতে করা যায় তার ব্যবস্থাও করতে হবে। ব্যবস্থা আরও সুসংগঠিত করতে কন্ট্রোল রুমের দায়িত্ব যার সেই ব্যক্তির নাম ও যোগাযোগের নম্বর প্রকাশ করতে হবে।

গত কয়েক সপ্তাহ যাবৎ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে অক্সিজেনের অভাবে একাধিক করোনা রোগীর মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে কালাবুর্গির একটি সরকারি হাসপাতাল থেকে ৪ জনের মৃত্যুর খবর আসে। তারপরই বেলাগাভির একটি সরকারি হাসপাতালে ৩ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়। সবারই মৃত্যু হয়েছে অক্সিজেনের অভাবে। কালাবুর্গি জেলার ইনচার্জ, মাইনিং অ্যান্ড জিওলজি মন্ত্রী মুরুগেস নিরানি অক্সিজেনের অভাবের প্রসঙ্গ উড়িয়ে দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, যে সব করোনা রোগী মারা গিয়েছেন তাঁদের অবস্থা ছিল গুরুতর। গত ২ দিনে চমরাজানগর জেলায় অক্সিজেনের অভাবে ২৪ জনের মৃত্যু হয়।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.