স্টাফ রিপোর্টার, ইংরেজবাজার: এনআরইজিএ-এর কাজের চার কোটি ২৯ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ উঠল তৃণমূল পরিচালিত গ্রাম পঞ্চায়েতের বিরুদ্ধে। গ্রামবাসীদের অভিযোগ সমস্ত টাকা আত্মসাৎ করেছে পঞ্চায়েতের প্রধান উপপ্রধান ও নির্মাণ সহায়ক। যদিও সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান।

আরও পড়ুন- কাটমানি নিয়ে প্রাণনাশের হুমকি তৃণমূল নেতার, বিক্ষোভ গ্রামবাসীদের

মালদহের চাঁচোল এর তৃণমূল পরিচালিত খরবা গ্রাম পঞ্চায়েত এখানে গাছ লাগানো সহ বিভিন্ন প্রকল্পের জন্য চার কোটি ২৯ লক্ষ টাকা বরাদ্দ হয়। গ্রামবাসীদের অভিযোগ নিয়ম কানুন মেনে কোন কাজ করা হয়নি। তাদের জমিতে যে গাছ লাগানো হয়েছিল। সেই সকল গাছগুলি পরিচির্চার ক্ষেত্রে কোন রকম আর্থিক ভাবে তাদের সাহায্য করেনি গ্রাম পঞ্চায়েত। ফলে সমস্ত গাছ মরে গিয়েছে।

আরও পড়ুন- ভাটপাড়ায় গণতন্ত্র ফেরাতে কেন্দ্রীয় হস্তক্ষেপ চাইছে বিজেপির প্রতিনিধি দল

একদিকে যেমন লাগানো গাছগুলি বিনা পরিচর্যায় মরে গেল পাশাপাশি সেই জমি গুলিতে যদি অন্য চাষ করতো তারা তাহলে আর্থিকভাবে লাভবান হতেন। আসলে সমস্ত টাকাটা আত্মসাৎ করা হয়েছে। সেই টাকা পঞ্চায়েতে চাইতে গেলে পঞ্চায়েতের প্রধান উপপ্রধান ও নির্মাণ সহায়ক তাদের সাথে দুর্ব্যবহার করছে। এই সমস্ত টাকা টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন- মাদকের নেশার মতো ছড়াচ্ছে শিকার উৎসব, আশঙ্কা বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ সংগঠনগুলির

যে ঠিকাদারি সংস্থাকে দিয়ে গাছ বিলি করা হয়েছিল তারা নিয়ম কানুন মেনে কোনো কাজ করেনি। আর যার জেরে সমস্ত গাছ নষ্ট হয়ে গিয়েছে। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছে পঞ্চায়েত প্রধান। তবে নিয়মকানুন মেনে যে কাজ হয়নি তা তিনি কার্যত স্বীকার করে নিয়েছেন।

আরও পড়ুন- মুসলিম শিক্ষককে হেনস্থা: হিন্দু সংহতির কড়া সমালোচনা দিলীপের

চাঁচোল এক নম্বর ব্লকের বিডিও সমিরন ভট্টাচার্য সংবাদ মাধ্যমের সামনে মুখ টা খুলতে চাইল তিনি জানিয়েছেন গ্রামবাসীদের নির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। তদন্তে দুর্নীতি প্রমাণ হলে আইনত ভাবে যথাযোগ্য ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আরও পড়ুন- নমাজের পালটা রাস্তা আটকে হনুমান চল্লিশা পাঠ করবে গেরুয়া বাহিনী