স্টাফ রিপোর্টার, মালদহ: ফের গ্রামের রাস্তা তৈরি নিয়ে রাজনৈতিক দুর্নীতির শিকার হল গ্রামবাসীরা। জানা গিয়েছে, রাস্তা তৈরি করা নিয়ে শাসকদলের বিরুদ্ধ্বে দুর্নীতির অভিযোগ উঠলে, যার জেরে তিন গ্রামবাসীকে অপহরণ করে মারধোরের অভিযোগ উঠল এক ঠিকাদার ও তার দলের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে মালদহ জেলার হরিশ্চন্দ্রপুর থানা ইসলামপুর এলাকার রাঙ্গাইপুর গ্রামে। ঠিকাকর্মীদের বিরুদ্ধে গ্রামবাসীদের মারধরের অভিযোগের ঘটনায় রবিবার গোটা এলাকা জুড়ে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। যদিও এই ঘটনায় পুলিশের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি। গোটা বিষয়টি খতিয়ে তদন্ত করে দেখছে হরিশচন্দ্রপুর থানার তদন্তকারী পুলিশ অফিসাররা।

বর্তমানে ওই এলাকায় ২৩১ মিটার পাকা রাস্তা তৈরির কাজ চলছে বলে জানা গিয়েছে। আর এই রাস্তা তৈরির কাজ নিয়েই ঠিকাদার এবং তাঁর দলের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছিল গ্রামবাসীরা। শুধু তাই নয়, নিয়মবহির্ভূত ভাবে কাজ করা হচ্ছে ওই রাস্তায়। এমনকি রাস্তা তৈরির কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে নিম্মমানের সামগ্রী।সূত্রের খবর, আর তা জানিয়ে গ্রামবাসীরা প্রতিবাদ করলে পরে তিন গ্রামবাসীকে অপহরণ করে মারধোর করার অভিযোগ উঠে ঠিকাদার তারিক আনোয়ারের বিরুদ্ধে। কিন্তু এদিকে অপহরণের যাবতীয় বিষয়টি অস্বীকার করে গিয়েছেন ওই ঠিকাদার।

এদিকে ঠিকাদারের গুন্ডা বাহিনীর হামলায় তিন গ্রামবাসী আহত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। যদিও রাস্তা নির্মাণে দুর্নীতি নিয়ে মালদহ জেলার শাসকদলের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছেন জেলার কংগ্রেস ও বিজেপি নেতৃত্ব।

সূত্রের খবর, বিজেপি নেতা অজয় গঙ্গোপাধ্যায় দাবি করেছেন, শাসকদলের প্রত্যক্ষ মদতে এই হামলা চালানো হয়েছে। এদিকে, রাস্তা নিয়ে দুর্নীতির জন্য একই দাবি করেছেন হরিশচন্দ্রপুর এলাকার কংগ্রেস বিধায়ক মুস্তাক আলম। মালদহ জেলার বিরোধী দুটি দলই এই বিষয়ে শাসকদলের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছে। যদিও শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের তরফ থেকে সমস্ত ঘটনা অস্বীকার করা হয়েছে। এই বিষয়ে, তৃণমূল কংগ্রেসের মালদা জেলার যুব সভাপতি অম্লান ভাদুড়ি বলেন, এই ঘটনার সঙ্গে তৃণমূল কোনও ভাবেই যুক্ত নয়। তিনি আরও বলেন, যদি কোনও ঠিকাদার দুর্নীতি করে থাকে তাহলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ