জেনেভা: করোনাভাইরাস ছড়িয়েছে ২১৩টি দেশে। অদৃশ্য ঘাতকের হামলায় দুনিয়া জুড়ে ভয়-কী হয় কী হয়। প্রতিদিনই মৃত্যুর সংখ্যা নতুন নজির গড়ছে। কিন্তু এখনও প্রতিষেধকহীন এই ভাইরাস সংক্রমণ। তবে সুস্থ হওয়ার সংখ্যা চমকে দেওয়ার মতো। ১০ গুণ ! মৃত্যুর তুলনায় দশ গুণ এগিয়ে সুস্থ হওয়ার পরিসংখ্যান।

ওয়ার্ল্ডোমিটারের হিসেব, করোনাভাইরাসে বুধবার পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছেন ৬৪ লক্ষ ৮৪ হাজারের বেশি। ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার পর ৩০ লক্ষ ১০ হাজারের বেশি সুস্থ। মৃত ৩ লক্ষ ৮২ হাজারের বেশি। ২০১৯ এর ডিসেম্বরে চিনের হুবেই প্রদেশের উহান শহরে প্রথম হামলা হয়েছিল করোনার। চিন থেকে ইরান হয়ে ইউরোপের ইতালি, স্পেন, ফ্রান্স, ইংল্যান্ড, জার্মানি সহ বিভিন্ন দেশে মরণ কামড় বসিয়েছে করোনা।

ইউরোপকে তছনছ করার মাঝেই উত্তর আমেরিকায় হামলা শুরু হয় ভাইরাসটির। মারাত্মক সংক্রমণের এই ভাইরাসে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে লক্ষাধিক মৃত। একইসঙ্গে দক্ষিণ আমেরিকার ব্রাজিলে তাণ্ডব শুরু হয়েছে ভাইরাসের। আফ্রিকার কিছু দেশেও বাড়ছে সংক্রমণ ও মৃত্যু। তবে আপাত নিরাপদ অস্ট্রেলিয়া এবং ওশেনিয়া মহাদেশ।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু) রিপোর্ট বলছে, এবার দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলি যেমন, ভারত, পাকিস্তান, বাংলাদেশে করোনার সামাজিক সংক্রমণ ও মৃত্যু রীতিমতো উদ্বেগ তৈরি করছে। দক্ষিণ এশিয়ায় ভারতেই সর্বাধিক করোনায় মৃত। তবে সংক্রমণ ব্যাপক হারে ছড়াচ্ছে পাকিস্তান ও বাংলাদেশেও। পূর্ব এশিয়ার জাপান এবং দক্ষিণ কোরিয়াতে নতুন করে ভাইরাস সংক্রমণ ধরা পড়ায় চিন্তিত বিজ্ঞানীরা। গত ১১ মার্চ করোনাভাইরাস সংকটকে মহামারি ঘোষণা করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

কলকাতার 'গলি বয়'-এর বিশ্ব জয়ের গল্প