বেজিং: বিশ্বের বহু দেশেই করোনা ভাইরাসের টিকাকরণের কাজ চলছে। প্রায় সব দেশি শিশু ও কিশোর-কিশোরীদের টিকা দেওয়া হবে একদম শেষ পর্যায়ে। তবে উহানের গবেষকরা বলছেন, বাচ্চাদের প্রথমে ভ্যাকসিন দেওয়া উচিত।

গবেষকরা বলছেন, বাচ্চাদের মধ্যে করোনা ভাইরাসের ঝুঁকি কম। কিন্তু বয়স্কদের তুলনায় এগুলি আরও সংক্রামক। বাড়ির ভিতরে সংক্রমণের বিস্তার রোধ করতে, শিশুদের ভ্যাকসিনের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দিতে হবে। এছাড়া যারা বাচ্চাদের যত্ন নেন তাঁদেরকেও ভ্যাকসিন দিতে হবে।

আরও পড়ুন – WBSEDCL-এ নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগ, ফেব্রুয়ারিতে বড় আন্দোলনের পথে চাকরিপ্রার্থীরা

গবেষকরা এ নিয়ে একটি গবেষণা করেছেন। মার্কিন ও চিনা গবেষকরা কুড়ি হাজারেরও বেশি পরিবারের ওপর এই গবেষণাটি চালিয়েছিল।

গবেষকরা জানিয়েছেন, স্কুল খোলার ব্যাপারেও শিশুদের করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের ব্যাপারটি মাথায় রাখা উচিৎ। এই সমীক্ষা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এখন বিশ্বজুড়ে টিকা দেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে।

উহান সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন করোনার লক্ষণযুক্ত ও লক্ষণহীন ব্যক্তিদের নিয়ে গবেষণা করেছিল। এই সমীক্ষার মূল উদ্দেশ্য ছিল, বাড়ির মধ্যে Sars-CoV-2 ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি কাদের মধ্যে বেশি রয়েছে তা জানা।

গবেষণায় দেখা গেছে, বাড়িতে বাচ্চাদের এবং কিশোর-কিশোরীদের মধ্যে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের ঝুঁকি সবচেয়ে কম। তবে তাঁরা বয়স্কদের চেয়ে ভাইরাসটি দ্রুত ছড়িয়ে দিতে পারে।

আরও পড়ুন – কনস্টেবলের চাকরিতে বাংলা আবশ্যিক, আরবিআইয়ে নয়া ডেপুটেশন বাংলার দাবীর

গবেষণায় দেখা গেছে, প্রি-সিমটোমাটিক লোকেরা আরও সংক্রামক। গবেষকরা বলেছেন যে করোনার লক্ষণযুক্ত ব্যক্তিরা তাদের ইনকিউবেশন পিরিয়ডে সবচেয়ে সংক্রামক।

গবেষণার রিপোর্ট বলছে, ১ বছরের কম বয়সের শিশুরা ২ থেকে ৫ বছরের বাচ্চাদের তুলনায় দ্বিগুণ ও ৬ থেকে ১২ বছরের বাচ্চাদের তুলনায় ৫৩ শতাংশ বেশি সংক্রামিত হতে পারে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।