বেজিং: ব্রাজিল থেকে সামনে এল চিনা ভ্যাকসিন নিয়ে বিস্ফোরক তথ্য। রিপোর্টে জানানো হয়েছে, সিনোভাক বায়োটেক কোম্পানির চিনা ভ্যাকসিনের এফিকসি রেট রয়েছে ৫০.৪ শতাংশ। যা আগের প্রকাশিত ডেটার তুলনায় অনেকটাই কম।

উল্লেখ্য, গত সপ্তাহে এই ভ্যাকসিনের তৃতীয় পর্যায়ের ট্রায়াল রান চালানো হয়েছিল। সেখানে এই ভ্যাকসিনকে ৭৫ শতাংশ কার্যকর বলে উল্লেখ করা হয়। এমনকি জরুরি অবস্থায় এই ভ্যাকসিন ব্যবহারের অনুমতিও চাওয়া হয়েছিল।

আরও পড়ুন – ‘মন্ত্রী, বিধায়কদের আগে করোনার টিকা দিন’, মোদীকে চিঠি পুদুচেরির মুখ্যমন্ত্রীর

অন্যদিকে ব্রাজিলবাসীকে নতুন এই তথ্য উপেক্ষা করতে আহ্বান করেছে ব্রাজিলে সিনোভাক বায়োটেকের ভ্যাকসিনের অংশীদার বুটানাটান ইনস্টিটিউট। এই চিনা ভ্যাকসিনের নাম করোনাভ্যাক। বুটানাটান ইনস্টিটিউট ব্রাজিলের হেলথ রেগুলেটরের সামনে এই ভ্যাকসিনের নতুন তথ্য পেশ করেছে। যেখানে এর এফেকসি রেট ৫০.৪ শতাংশ বলে জানা গেছে। একই সময়ে, আমেরিকার ফাইজার-বায়োএনটেক- তৃতীয় পর্যায়ের ট্রায়াল রানে ৯৫ শতাংশ কার্যকার বলে প্রমাণিত হয়েছে।

বুটানাটান-এর ক্লিনিকাল গবেষণার মেডিকেল ডিরেক্টর রিকার্ডো প্যালাসিয়োস জানিয়েছেন, “করোনার খুব হালকা লক্ষণযুক্ত লোকদের জন্য ভ্যাকসিন পরীক্ষা অত্যন্ত কঠিন। অন্যান্য কোভিড -১৯ ভ্যাকসিনের তুলনায় এই ভ্যাকসিনটি কিছুটা জটিল। রোগটি তত মারাত্মক, ভ্যাকসিন তত বেশি কার্যকর। “

আরও পড়ুন – হোয়াটসঅ্যাপের প্রাইভেসি নিয়ে উঠল প্রশ্ন, তড়িঘড়ি সাফাই দিতে আসরে সংস্থা

এছাড়া বুটানটনের ক্লিনিকাল সেফটি অ্যান্ড রিস্ক ম্যানেজমেন্ট সেন্টারের ডায়রেক্টর অ্যালেক্স প্রিসিওসো বলেছেন, ভ্যাকসিনের কোনও গুরুতর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার খবর পাওয়া যায়নি।

উল্লেখ্য, বর্তমানে ব্রাজিলে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৮.২ মিলিয়ন। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে উঠেছে ৭.২৮ মিলিয়নের। মোট মৃত্যু হয়েছে ২ লক্ষ ৫ হাজারের বেশি। উল্লেখ্য, ইতিমধ্যেই ভারত বায়োটেকের তৈরি কোভ্যাক্সিন টিকা নিতে চুক্তি করেছে ব্রাজিলের একটি ওষুধ সরবরাহকারী সংস্থা। ভারত বায়োটেক মঙ্গলবার জানায়, কোভ্যাক্সিন টিকা নিতে ব্রাজিলভিত্তিক ফার্মাসিউটিক্যাল সংস্থা প্রিসিসা মেডিসামেন্টোস চুক্তি করেছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।