প্রতীকী ছবি

স্টাফ রিপোর্টার, জলপাইগুড়ি: ক্রমশ ঘ্ণীভূত হচ্ছে আশঙ্কার কালো মেঘ। এবার ইন্ডাকশন ওভেন দিতে এসে শ্বশুর বাড়ির বিপদ বাড়ালো খোদ জামাই বাবাজি। সামান্য একটা ওভেন দিতে এসে জামাই এতবড় বিপদের সম্মুখীন করবে হবে তা কল্পনাও করেননি শ্বশুর বাড়ির লোকজন।

জলপাইগুড়ি স্বাস্থ্য দফতরের এক কর্মীর শ্বশুর বাড়ি জলপাইগুড়ি রোড স্টেশন লাগোয়া শেশা পাড়া গ্রামে। গত শনিবার জামাই এসে শ্বশুর বাড়িতে একটি ইন্ডাকশন ওভেন পৌঁছে দিয়ে বাড়ি চলে যায়।

স্বাস্থ্য দফতরের কর্মী হবার সুবাদে তার রুটিন করোনা পরীক্ষা হয়। গতকাল রিপোর্টে আসে তিনি করোনা পজিটিভ। রিপোর্ট আসার সঙ্গে সঙ্গে শুক্রবার রাতেই আক্রান্ত জামাইকে জলপাইগুড়ির করোনা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। একই সঙ্গে শুরু হয় তিনি গত কয়েকদিন ধরে কোথায় কোথায় গিয়ে কাদের সঙ্গে দেখা করেছিলেন তার তালিকা তৈরীর কাজ।

আর এই তালিকা তৈরী করতে গিয়েই দেখা যায় তিনি তার শ্বশুর বাড়ি গিয়েছিলেন। সেই বাড়িতে ছোট বড় মিলে মোট ১১ জন সদস্য আছে। তড়িঘড়ি স্বাস্থ্য দফতর থেকে এলাকার আশা কর্মীকে জানানো হয় তাঁদের খবর দিতে।

আশা কর্মী ছন্দা রায় জানান, তাঁর কাছে খবর আসে ওই স্বাস্থ্য দফতরের কর্মীর শ্বশুর বাড়ির লোকেদের নিয়ে গিয়ে লালারস পরীক্ষা করাতে। গাড়ি এসে তাঁদের নিয়ে যাওয়া হবে হাসপাতালে।

তিনি আরও জানান, এলাকার অন্যান্য বাড়িতেও গিয়েছিলেন তিনি। কারও জ্বর, কাশি বা করোনার অন্যান্য উপসর্গ আছে কিনা তা খতিয়ে দেখতে। তবে তেমন কোনও উপসর্গ এখনও কারও মধ্যে দেখা যায়নি বলে জানান তিনি।

এদিকে, শ্বশুর অশোক রায় জানান, জামাই এসে বাড়িতেও ঢোকেনি। বাইরে থেকে তাঁদের হাতে ওভেন দিয়ে চলে যায়। গতকাল তাঁর করোনা ধরা পড়ে। এখন করোনা হাসপাতালে ভর্তি। ওই আশা কর্মী জানান, অশোক রায়ের বাড়ির সবার করোনা পরীক্ষা করার জন্য স্বাস্থ্য দফতরের গাড়ি করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

প্রশ্ন অনেক: দ্বিতীয় পর্ব