স্টাফ রিপোর্টার,বালুরঘাট: দিন যতই যাচ্ছে ততই বাড়ছে উদ্বেগ। ফলে এই অবস্থায় সংক্রমণ রোধে বালুরঘাট শহরের ১০টি ওয়ার্ড সহ জেলায় মোট ৪৭টি এলাকাকে কন্টেইনমেন্ট জোন ঘোষণা করেছে প্রশাসন। পাশাপাশি বালুরঘাট গঙ্গারামপুর ও বুনিয়াদপুর পুরসভা সহ বেশ কিছু এলাকায় বৃহস্পতিবার বিকেল ৫ টা থেকে জারি হয়েছে সাত দিনের লকডাউন।

করোনা ভাইরাসের মোকাবিলা ও সংক্রমণ প্রতিরোধে ফের এই লকডাউন ঘোষিত হলেও সাধারণ মানুষের অনেককেই তা মানতে দেখা যাচ্ছে না বালুরঘাট শহরে। অত্যাবশ্যকীয় ও জরুরি পরিষেবার ক্ষেত্র ব্যতিরেকে অন্যান্য দোকানপাট বন্ধ রাখার নির্দেশ থাকলেও অনেক ব্যবসায়িই তা মানছেন না। এমনকি ই-রিকশা টোটো বাইক চলাচল বারণ থাকলেও রাস্তায় তার উল্টো চিত্ররই দেখা মিলছে। বাজারে ক্রেতা বিক্রেতা সহ অধিকাংশ মানুষের মুখে নেই মাস্ক।

এদিকে শুক্রবার সকালে দক্ষিণ দিনাজপুরের আরও ১৫ জনের লালারসে করোনা পজেটিভ মিলেছে। যাঁদের মধ্যে রয়েছেন গঙ্গারামপুরের বিডিও রয়েছেন। সরকারি রিপোর্ট অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার পর্যন্ত দক্ষিণ দিনাজপুরে করোনায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা ২৮৩ জন ছিল। শুক্রবার তা বেড়ে হয়েছে ২৯৮ জন। আক্রান্তদের মধ্যে শুধুমাত্র বালুরঘাট শহর ও ব্লক এলাকারই রয়েছেন ৬৩ জন রয়েছেন। পরিস্থিতি মোকাবিলায় বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে লকডাউন জারি হলেও অধিকাংশ এলাকায় তা ঠিক মতো পালিত না হওয়ায় বাড়ছে আতঙ্ক।

অন্যদিকে জেলার আরও এক পুরসভা বুনিয়াদপুরের ২ ও ৮ নং ওয়ার্ড দুটিকেও কনটেইনমেন্ট জোন হিসেবে ঘোষণা করেছে প্রশাসন। সেই সঙ্গে পুরসভার সমস্ত এলাকাতেও বৃহস্পতিবার বিকেল পাঁচটা থেকে লকডাউন জারি হয়েছে। লকডাউন ঠিকমতোন পালিত হচ্ছে কিনা তা নজর রাখতে পুলিশ প্রশাসনের তরফ থেকে বুনিয়াদপুরের আকাশে সকাল থেকে ড্রোন উড়িয়ে নজর রাখা হচ্ছে। ড্রোনের পাশাপাশি প্রশাসনের তরফ থেকে শহরের বিভিন্ন এলাকায় বসানো হয়েছে পুলিশি নাকা চেকিং।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।