স্টাফ রিপোর্টার, বারাকপুর : উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বারাকপুর শিল্পাঞ্চলে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বাড়লেও আপাতত এই শিল্পাঞ্চলের বিভিন্ন পুরসভাগুলির পক্ষ থেকে লকডাউনের মেয়াদ বাড়ানো হচ্ছে না বলে জানা গিয়েছে। জুলাই মাসের শেষ সপ্তাহে বারাকপুর মহকুমার যে পুরসভাগুলি লকডাউন ঘোষণা করেছিল, সেই পুরসভা গুলিতে নতুন করে লকডাউনের সময়সীমা বৃদ্ধি করা হচ্ছে না বলে সংশ্লিষ্ট পুরসভা সূত্রের খবর।

তবে সপ্তাহে দুদিন করে যে লকডাউনের কথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করা হয়েছে তা মানা হবে। জেলা প্রশাসন সূত্রের খবর, বারাকপুর শিল্পাঞ্চলে বর্তমানে করোনায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা অন্তত সাড়ে ৪ হাজার। রাজ্য সরকারের স্বাস্থ্য দফতরের রিপোর্ট অনুসারে, করোনায় আক্রান্তের মোট সংখ্যা উত্তর ২৪ পরগনা জেলায় ১৫ হাজার পেরিয়েছে।

এই জেলার বিভিন্ন পুর এলাকা গুলিতে সম্প্রতি করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় বিভিন্ন পুরসভা এলাকায় লকডাউন ঘোষনা করা হয়েছিল । জুলাই মাসের শেষ সপ্তাহ জুড়ে বারাকপুর শিল্পাঞ্চলের বিভিন্ন পুরসভা এলাকায় লকডাউন কার্যকর ছিল। তবে আগস্ট মাসের শুরু থেকে এই শিল্পাঞ্চলের কোনও পুরসভার পক্ষ থেকেই নতুন করে লকডাউন ঘোষণা করা হয়নি। উত্তর বারাকপুর,হালিশহর পুরসভা এলাকায় লকডাউন বাড়ানো হচ্ছে না।

উত্তর বারাকপুর পুরসভার পুর প্রশাসক মণ্ডলীর সদস্য অভিজিত মজুমদার বলেন, “আপাতত উত্তর বারাকপুর পুরসভায় লকডাউন বাড়ানো হচ্ছে না। গত ৫ দিন সম্পূর্ণ লকডাউন পালন করেছি আমরা। এই ৫ দিনে আমাদের পুরসভা এলাকায় করোনা আক্রান্তের হার কি রয়েছে আগে তা হিসেব করে দেখব আমরা। এরপর যদি দেখি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেই,তখন জরুরি ভিত্তিতে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এখন নতুন করে ফের লকডাউন বাড়ানো হচ্ছে না ।”

এদিকে উত্তর ২৪ পরগনা জেলা প্রশাসন সূত্রে জানানো হয়েছে, বাইরে জরুরি যে কোনও কাজে বেরোনোর সময় শিল্পাঞ্চলের প্রত্যেক নাগরিকদের মাস্ক ব্যবহার করা বাধ্যতা মূলক।

এই বিষয়ে বারাকপুরের পুলিশ কমিশনার মনোজ ভার্মা জানিয়েছেন, “বারাকপুর মহকুমায় নাগরিকদের সচেতন থাকতে অনুরোধ করা হচ্ছে। সকলেই যাতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে বাইরে বেরোন, প্রত্যেক নাগরিকের মাস্ক ব্যবহার বাধ্যতামূলক। রাজ্য সরকার যে দিন গুলিতে সম্পূর্ণ লকডাউন ঘোষণা করেছে, সেই দিনগুলোতে নাগরিকদের বাড়ির বাইরে বেরতে নিষেধ করা হচ্ছে।”

পপ্রশ্ন অনেক: নবম পর্ব

Tree-bute: আমফানের তাণ্ডবের পর কলকাতা শহরে শতাধিক গাছ বাঁচাল যারা