নাইরোবি: ভয়ঙ্কর হচ্ছে করোনা। আর সেই কারণে পূর্ব আফ্রিকার দেশ কেনিয়ায় সমস্ত স্কুল আগামী বছর জানুয়ারি পর্যন্ত বন্ধ রাখা হবে। সে দেশের স্কুলগুলিতে ফাইনাল পরীক্ষা সাধারণত নেওয়া হয় অক্টোবর-নভেম্বরে। চলতি বছরের সেই সমস্ত পরীক্ষাও বাতিল করা হয়েছে বলে বিবিসি জানিয়েছে।

সাংবাদিকদের কেনিয়ার শিক্ষামন্ত্রী জর্জ মাগোহা বলেছেন, প্রাথমিক এবং মাধ্যমিক স্কুলগুলোতে ক্লাস আগামী বছর জানুয়ারিতে শুরু হবে। যেভাবে করোনা প্রকোপ শুরু হয়েছে তাতে স্কুল খোলা মানে বিপদ বাড়ানো বলে মনে করেন সে দেশের শিক্ষামন্ত্রী।

শুধু তাই নয়, বাচ্চাদের আরও বিপদের মুখে ঠেলে দেওয়া বলে মনে করেন তিনি। অন্যদিকে, মার্চের মাঝামাঝি সময় থেকে স্কুল বন্ধ থাকায় সব স্কুলের ২০২০ শিক্ষাবর্ষও বাদ পড়বে বলে জানান তিনি। সরকারি-বেসরকারি সব স্কুলের ক্ষেত্রে এ নির্দেশনা প্রযোজ্য হবে। কেনিয়ায় জানুয়ারি থেকে নভেম্বর পর্যন্ত স্কুলের শিক্ষাবর্ষ ধরা হয়। তবে কঠোর স্বাস্থ্যবিধি মেনে চললে সে দেশের কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলো সেপ্টেম্বরেই খুলে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী।

মার্চে শিক্ষার্থীরা স্কুলে যাওয়া বন্ধ করার পর থেকে সরকার পরিচালিত কেনিয়া ইনস্টিটিউট অফ কারিকুলাম ডেভলপমেন্ট রেডিও, টেলিভিশন ও অনলাইনের মাধ্যমে স্কুলের কার্যক্রম অব্যাহত রাখার চেষ্টা করে যাচ্ছিল। এর মাধ্যমে কিছু শিক্ষার্থী সিলেবাস অনুযায়ী পাঠ সম্পূর্ণ করতে পারলেও অনেকেই এই প্রযুক্তিগত সুবিধার আওতায় ছিলেন না।

গোটা বিশ্বে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। কেনিয়াতে এখনও পর্যন্ত করোনাভাইরাস আক্রান্ত আট হাজারের বেশি রোগী শনাক্ত হয়েছে। ১৬৪ জন মারা গিয়েছে মারণ এই ভাইরাসের ছোবলে। সম্প্রতি কয়েকদিনে নতুন সংক্রমণও বেড়েছে।

এরই মধ্যে গত সোমবার সে দেশের প্রেসিডেন্ট উহুরু কেনিয়াত্তা করোনাভাইরাস বিধিনিষেধ ধাপে ধাপে তুলে নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। প্রধান দুটি শহর নাইরোবি ও মোম্বাসায় ভ্রমণের ওপর বিধিনিষেধ তুলে নেওয়া হয়েছে। তবে কেনিয়ায় জারি থাকা রাত ৯টা থেকে ভোর ৪টা পর্যন্ত কারফিউয়ের মেয়াদ আরও ৩০ দিন বাড়িয়েছেন তিনি। শুধু তাই নয়, স্কুলগুলিও আপাতত না খোলার জন্যে বলা হয়েছে।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ