ভোপাল: করোনাভাইরাস এবার থাবা বসাল এক সাংবাদিকের শরীরে৷ যাঁরা সারাদিন খবর সংগ্রহ করতে ব্যস্ত৷ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যাঁরা দিবারাত্র করোনাভাইরাসের আপডেট দিয়ে চলেছেন, এই মারণ ভাইরাস ছাড়ল না সাংবাদিককেও৷এর ফলে মধ্যপ্রদেশের করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হল ১৫৷

বুধবার ভোপালে এক সাংবাদিকের শরীরে মিলল COVID19৷ তাঁর মেয়ের শরীরেও মিলেছে এই মারণ ভাইরাস৷ গত সপ্তাহে ভোপালে সদ্য প্রাক্তন মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী কমলনাথের প্রেস কনফারেন্সে উপস্থিত ছিলেন ওই সাংবাদিক৷ কমলনাথের প্রেস কনফারেন্সে ওই সাংবাদিকের সংস্পর্শে কারা এসেছিলেন, তাঁদের খুঁজে বের করে কোয়ারেন্টাইনে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে৷

এর ফলে মধ্যপ্রদেশের করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হল ১৫৷ তবে ভোপালে আক্রান্তের সংখ্যা ২৷ এর আগে তাঁর মেয়ের শরীরে মিলেছিল করোনা ভাইরাস৷ বুধবার এইমস-এ ৫৫ বছরের ওই সাংবাদিকের টেস্টেও COVID19 পজিটিভ আসে৷ এর আগেও তাঁর টেস্ট পজিটিভ আসে৷এদিন তাঁর দ্বিতীয় টেস্ট পজিটিভ হওয়ার পর এইমস-এর তরফে জানানো হয়৷ জানা গিয়েছেন এই বর্ষীয়ান এই সাংবাাদিক ভোপালের প্রফেসর কলোনিতে থাকেন৷

ভোপালের প্রথম COVID19 আক্রান্ত হলেন ওই সাংবাদিকের মেয়ে৷ যিনি ১৭ মার্চ ইংল্যান্ড থেকে ফিরেছেন৷ তারপর ১৮ মার্চ ট্রেনে করে ভোপালে পৌঁছন৷ সেই সময় প্রায় ১৫৭ জনের সঙ্গে সংস্পর্শে এসেছিলেন৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.