নয়াদিল্লি: করোনার কাঁটায় কাঁপছে বিশ্ববাসী। চারিদিকে কান পাতলেই শোনা যাচ্ছে কেবল মৃত্যু মিছিলের ধ্বনি। মারণ এই ভাইরাসের কোপে দিশেহারা অবস্থা গোটা পৃথিবীর মানুষের। ভাইরাস রুখতে নিজেদের সাধ্যমত সবরকমের সচেতনতা এবং সতর্কতা মেনে চলার ব্যাপারে নির্দেশিকা জারি হয়েছে বিশ্বের সব দেশেই। এদেশে এখনও পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যা ছুঁয়েছে ৩। কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে রাজ্যগুলিতেও জারি হয়েছে, চূড়ান্ত সতর্কতা। তবে এরমাঝেই দেশের সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যের কথা চিন্তা করে আরও একধাপ এগিয়ে নতুন পদক্ষেপ গ্রহন করল ভারত সরকার।

দেশে লাফিয়ে বাড়ছে করোনা সংক্রমণের সংখ্যা। এই অবস্থায় আপাতত সমস্ত বিদেশী বিমান পরিবহনের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। যতদিন না দেশে করোনাভাইরাসের পরিস্থিতি স্বাভাবিক হচ্ছে, ততদিন বিদেশ থেকে কোনও বিমান ভারতে প্রবেশ করতে পারবে না। তেমনই ভারতের কোনও বিমানও বিদেশ যাত্রা করবে না বলে জানা গিয়েছে। মঙ্গলবার সরকারি
সূত্রে এই খবর জানানো হয়েছে।

সূত্রের খবর, দেশে করোনা সতর্কতায় এই মুহূর্তে যে সমস্ত দেশের বিমান পরিবহনের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে, সেগুলি হল, আফগানিস্তান, মালয়েশিয়া এবং ফিলিপাইন্স। এছাড়াও বাতিল করে দেওয়া হয়েছে ব্রিটেন, তুরস্কের বিমানও। বিমান পরিবহনের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে ইউরোপ মহাদেশের ক্ষেত্রেও। তবে এখনও পর্যন্ত ৩১ মার্চ পর্যন্ত এই নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। ৩১ মার্চের পর পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে।

প্রসঙ্গত, করোনা ভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধকারী সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কেন্দ্রের তরফে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক বৃহস্পতিবার জানিয়েছে, কূটনীতিক, সরকারি আধিকারিক, ইউনাইটেড নেশনস, আন্তর্জাতিক সংস্থা এবং কর্মরত হওয়ায় ভিসা ছাড়া বাকি সকল ভিসা আপাতত অর্থাৎ এপ্রিলের ১৫ তারিখ অবধি সাসপেন্ড করা হয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা করোনা ভাইরাসকে বিশ্বব্যাপী মহামারী বলে ঘোষণা করেছে ইতিমধ্যে।

কেন্দ্রের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, আগামী ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত সমস্ত ভিসা বাতিল করা হয়েছে। এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে ১৩ মার্চ থেকে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।