বেজিং: দেখতে দেখতে সময় অনেকটা গড়িয়ে গিয়েছে। তবুও কিছুতেই চিনের পিছু ছাড়ছে না মারণ করোনা। ফের জিংপিং-এর দেশে নতুন করে সংক্রমণ ছড়াচ্ছে করোনাভাইরাস। তবে এবার বাজার বা চিনাদের অদ্ভুত সব খাদ্যাভ্যাস নয়। বরং প্যাকেটজাত করা হিমশীতল সামুদ্রিক খাবার (ফ্রোজেন ফুড) থেকে নতুন করে থাবা বসাচ্ছে এই ভাইরাস।

মঙ্গলবার চিনা প্রশাসন সূত্রে এই খবর জানা গিয়েছে। চিনের বন্দর শহর ডালিয়ান থেকে আমদানিকৃত সামুদ্রিক খাবারের প্যাকেজিংয়ে করোনভাইরাস খুঁজে পাওয়া গিয়েছে।

মঙ্গলবার স্থানীয় প্রশাসন এই খবর জানিয়েছে। চিনের পূর্ব শানডং প্রদেশের বন্দর নগরী ইয়ানতাইয়ে হিমশীতল সি-ফুডের বাইরের প্যাকেজিংয়ে এই ভাইরাসটি পাওয়া গিয়েছে। তবে বাইরের থেকে আসা এই সি-ফুড গুলি ঠিক কোন দেশ থেকে আমদানি করা হয়েছে সেই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত স্পট করে কিছু জানায়নি ইয়ানতাই সরকার।

জানা গিয়েছে, গত জুলাই মাসে চিনের উত্তর-পূর্ব প্রদেশের লিয়াওনিংয়ের বন্দরে ডালিয়ানের শুল্ক দফতরের আধিকারিকরা আমদানিকৃত হিমায়িত চিংড়ির প্যাকেজিংয়ে করোনাভাইরাস খুঁজে পাওয়া গিয়েছিল। সেই সময় চিন বাইরে থেকে চিংড়ির আমদানি সাময়িক স্থগিত রেখেছিল।

যদিও, বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাসের উৎপত্তিস্থল হিসেবে পৃথিবীর প্রায় সব দেশই চিনের উহান মার্কেটকেই দায়ি করে আসছে। কারণ গত বছর ডিসেম্বর মাসে এই বাজার থেকেই প্রথম ছড়িয়ে পড়েছিল করোনাভাইরাস। আর তারপর থেকেই এই বাজারে বন্যপ্রাণী বিক্রির এবং খাওয়ার নিষেধাজ্ঞা জারি করে সেদেশের সরকার।

এদিকে ইয়ানতাই প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, মোট তিনটি কোম্পানি এই সামুদ্রিক খাবার রফতানির জন্য প্রক্রিয়াজাত করার কাজ করে। আর এই খাবার প্রক্রিয়াজাত করার পর হিমাগারে রাখা হয়। যদিও এখনও পর্যন্ত এগুলি বাজারজাত করা হয়নি। এই প্রক্রিয়াজাত সামুদ্রিক খাবারের কোনও রফতানি হয়েছে কিনা তা জানতে চাওয়া হলেও ইয়ান্তাইয়ের ওই সংস্থার এক কর্মচারী তা জানাতে অস্বীকার করেছেন বলে জানা গিয়েছে।

তবে নতুন করে সংক্রমণের খবর মিলতেই সি-ফুডের যাবতীয় আমদানি এবং রফতানি বন্ধ করে দিয়েছে ইয়ানতাই প্রশাসন। যদিও জুলাই মাসের শেষদিকে ডালিয়ান প্রদেশে প্রথম করোনার প্রাদুর্ভাব লক্ষ্য করা যায় এবং চলতি মাসের ৯ তারিখ পর্যন্ত সেখানে মোট ৯২ জনের করোনার সংক্রমণ ধরা পড়েছে।

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও