corona virus -2

তিমিরকান্তি পতি, বাঁকুড়া: ‘গ্রামীণ ডাক সেবকে’র প্রশিক্ষণ নিতে আসা উত্তর প্রদেশের এক যুবক বাড়ি ফেরার পর তার করোনা আক্রান্ত হওয়ার খবর বাঁকুড়ায় পৌঁছতেই জেলা জুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

বুধবার সন্ধ্যায় এই খবর বাঁকুড়ায় আসার পরেই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়েছে স্থানীয় পুরসভা, প্রশাসন ও জেলা স্বাস্থ্য দফতর। ওইদিন রাতেই শহরের বড় কালীতলার এক বেসরকারী লজের পাঁচ কর্মী ও আবাসিকের লালা রসের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে বৃহস্পতিবার ওই বেসরকারি লজ স্যানিটাইজারের কাজ শুরু করলো বাঁকুড়া পুরসভা।

প্রসঙ্গত, সম্প্রতি ‘গ্রামীণ ডাক সেবকে’র প্রশিক্ষণ নিতে আরও অনেকের সঙ্গে বাঁকুড়া শহরে আসেন উত্তর প্রদেশের এক যুবক। তিনি এখানে এসে শহরের বড় কালীতলার একটি বেসরকারি লজে থাকছিলেন। সারাদেশে ‘লকডাউনে’র মধ্যেই গত ২৯ এপ্রিল তিনি বাঁকুড়া থেকে বেরিয়ে কোনও ভাবে উত্তর প্রদেশে নিজের বাড়ি পৌঁছে যান।

এরপরই তিনি করোনা আক্রান্ত হন। এই খবর সরকারি ভাবে বুধবার বাঁকুড়ায় এসে পৌঁছয়। তারপরই আর কোনও ধরণের ঝুঁকি নিতে রাজী নয় প্রশাসন। যদিও ওই যুবক ‘লকডাউনে’র মধ্যে কিভাবে উত্তর প্রদেশ ফিরে গেলেন সে বিষয়টি স্পষ্ট নয় কারও কাছেই।

বড়কালীতলা এলাকার বাসিন্দা সোমা বিশ্বাস বলেন, খবরটা পাওয়ার পর থেকেই ভয়ে আছি। বৃদ্ধ, বৃদ্ধা ও শিশুদের নিয়ে বাস করি। কোন দরকার পড়লেও কেউ আসতে চাইছেনা। সব মিলিয়ে এই মুহূর্তে তারা বেশ আতঙ্কেই আছেন বলে তিনি জানান।

পুরসভার ১২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর বিশ্বজিৎ দাস বলেন, প্রথম দিকে বিষয়টি আমাদের জানা ছিলনা। খবর পাওয়ার পর প্রশাসন ও পুরসভার তরফে সব ধরণের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

উত্তর প্রদেশের করোনা আক্রান্ত ওই ব্যক্তি যেহেতু এই লজে থাকছিলেন তাই এই লজটি পুরসভার তরফে জীবানু মুক্ত করার কাজ শুরু হয়েছে। একই সঙ্গে প্রশাসন ও এলাকার মানুষের যৌথ সিদ্ধান্তে সংশ্লিষ্ট এলাকায় বাইরে থেকে আসা মানুষের প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে বলে তিনি জানান।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।