করোনা থেকে সাবধান
ফাইল ছবি

স্টাফ রিপোর্টার, তমলুক: করোনা রিপোর্ট পজিটিভ। হাতেই রয়েছে সেই রিপোর্ট কার্ড। আর সেটি নিয়েই প্রায় তিনঘণ্টা ধরে হাসপাতাল চত্বরে ঘোরাঘুরি করলেন সংক্রমিত এক রোগী। মঙ্গলবার চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে,পূর্ব মেদিনীপুর জেলার তমলুক জেলা হাসপাতালে।

ঘটনার খবর জানাজানি হতেই তীব্র করোনাতঙ্ক ছড়িয়েছে হাসপাতালে আসা রোগী ও তাঁদের পরিজনদের মধ্যে। ফলে ফের আরও একবার স্পষ্ট হয়ে গেল রাজ্যের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার বেহাল দশা। জানা গিয়েছে, তমলুক থানার উত্তর সাউতানচক এলাকার এক বাসিন্দা দিন দশেক আগে তমলুকের পূর্ব মেদিনীপুর জেলা হাসপাতালে করোনার উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হন। পরে তাঁর মৃত্যু হয়।

এরপর করোনার উপসর্গ থাকা ওই পরিবারের আরও দুই সদস্যের রক্তের নমুনা সংগ্ৰহ করা হয়। তার মধ্যে এদিন একজনের রিপোর্ট পজিটিভ আসে। আর সেই সংক্রামিত মহিলা মঙ্গলবার পূর্ব মেদিনীপুর জেলা হাসপাতালে তাঁর করোনা রিপোর্ট নিতে আসেন।

করোনা পজিটিভ রিপোর্ট হাতে নিয়ে তিনি প্রায় ৩ ঘন্টা ধরে ঘুরে বেড়ান হাসপাতাল চত্বরে। ইমারজেন্সি ওয়ার্ডের বাইরে বসে থাকলেও এই নিয়ে কোনও হেলদোল ছিল না হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের। ফলে সংক্রমণ ছড়ানোর আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে। আর যা নিয়ে আতঙ্কিত হাসপাতালের ডাক্তার, নার্স এবং অন্যান্য রোগীরা।

এই বিষয়ে অবশ্য জেলা হাসপাতালের সুপার নিজের দায় এড়াতে ওই রোগী ও তাঁর পরিবারের ঘাড়ে দোষ চাপানোর চেষ্টা করেন। অবশেষে ওই রোগীকে জানানো হয় মেচগ্রাম বড়মা মাল্টি স্পেশালিটি হাসপাতালে বা ময়নাতে সেফহোমে নিয়ে যাওয়া হবে।

প্রশ্ন উঠছে কিভাবে করোনা পজিটিভ জানার পরও একজন রোগীকে এভাবে বাইরে ঘুরে বেড়াচ্ছেন? অথচ হেলদোল নেই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের। যা এখন আলোচনার মূল বিষয় হয়ে উঠেছে জেলাজুড়ে। যদিও দীর্ঘক্ষণ পরে অ্যাম্বুলেন্সে করে ময়নার সেফ হোমে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁকে। বর্তমানে সেখানেই ভর্তি রয়েছেন তিনি।

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও