স্টাফ রিপোর্টার, তমলুক: করোনা আবহে চূড়ান্ত আর্থিক সংকটে ভুগছেন মাইক ব্যবসায়ীরা। কয়েক দিন পরেই বিশ্বকর্মা পুজো।কিন্তু এখনও পর্যন্ত কোনও বুকিং না হওয়ায় আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন তাঁরা। আশঙ্কা করছে করোনা পরিস্থিতির জন্য বিশ্বকর্মা পূজা অন্য বারের মতো জাঁকজমকপূর্ণভাবে হওয়ার সম্ভাবনা কম।

ঘরোয়া ভাবে কিছু পুজো হলেও, বড়ো মন্ডপসজ্জায় আড়ম্বর করে বিশ্বকর্মা পূজা হবার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। এই পরিস্থিতিতে মাইক ব্যবসার যুক্ত পূর্ব মেদিনীপুর জেলার শতাধিক পরিবার চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। বিশ্বজুড়ে করোনা মহামারীর মাঝে ভারতে আক্রান্তের সংখ্যা ক্রমাগত লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে।

তাই এই পরিস্থিতিতে জাঁকজমকপূর্ণ বিশ্বকর্মা পূজোর সংখ্যা ক্ষীন বললেই চলে। এরপর পিতৃ পক্ষের অবসান ও মাতৃ পক্ষের সূচনা, কিন্তু দূর্গা পূজো, লক্ষ্মীপূজো ও কালীপূজোও জাঁকজমকপূর্ণভাবে হবার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে।

তমলুকের নিমতৌড়ির এক মাইক ব্যবসায়ী উত্তম দাস বলেন, গত ছয় মাস ধরে বুকিং না হওয়ায় খুব দুশ্চিন্তায় রয়েছি। আগের বছর গুলোতে পূজা কমিটিরা দু’মাস আগে থেকে বুকিং করে যান। কয়েক দিন পরে বিশ্বকর্মা পূজো,কিন্তু এখনো বুকিং হয়নি।

অন্য এক নন্দকুমারের চকচাঁদপোতা মাইক ব্যবসায়ী সৌমিত্র মাইতি জানান, সরস্বতী পূজার পর ব্যাঙ্ক লোন ও মহাজনদের কাছ থেকে আট লক্ষ টাকা ধার করেছি। বুকিং না হওয়ায় দুঃশ্চিন্তায় মধ্যে কাটাচ্ছি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।