নয়াদিল্লি: রাজধানী দিল্লিতে করোনার নিত্যনতুন রেকর্ড ধরা পড়ছে। গত ২৪ ঘন্টায় ফের এক নয়া রেকর্ড গড়ল রাজধানীর সংক্রমণ। এই সময়ের মধ্যে দিল্লিতে নতুন করে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ২৫ হাজার ৪৬২। অবস্থা এমন যে, প্রতি ঘন্টায় সংক্রমিত হয়েছে এক হাজারেরও বেশি মানুষ। গত ২৪ ঘন্টার মধ্যে একদিকে যেমন ২৫ হাজার ৪৬২ জন মানুষ সংক্রামিত হয়েছে, তেমনই এই সময়ের মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ১৬১ জনের।

দিল্লি সরকারের আদেশ

দিল্লি সরকার আদেশে জানিয়েছে, করোনার চিকিত্সায় নিযুক্ত সমস্ত নার্সিংহোমকে ৮০ শতাংশ আইসিইউ এবং জেনারেল বেড করোনার জন্য রিজার্ভ রাখতে হবে।

আরও খবর পড়ুন – ষষ্ঠ দফার নির্বাচনে তৃণমূল আর বিজেপি-র অভিযুক্ত প্রার্থীর সংখ্যা সমান

অন্যদিকে পরিস্থিতি সামাল দিতে কেন্দ্রের কাছে করোনা রোগীদের চিকিৎসার জন্য অন্তত সাত হাজার বেড সংরক্ষিত করে রাখার অনুরোধ জানিয়েছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। তিনি বলেন, “করোনা রোগীদের চিকিৎসার জন্য আগামী দু-তিন দিনের মধ্যে সারা দিল্লি জুড়ে ৬,০০০ এরও বেশি আইসিইউ বেডি রেডি রাখার ব্যবস্থা করা হবে। অক্সিজেন যুক্ত এই বেডগুলি পাওয়া যাবে যমুনা স্পোর্টস কমপ্লেক্স, কমনওয়েলথ গেমস ভিলেজে, কোভিড কেয়ার সেন্টারগুলিতে এবং ছত্রপুরের রাধা সোয়ামি সৎসঙ্গ কেন্দ্রগুলিতে।

রাজধানীর বিভিন্ন হাসপাতালে যে করোনা সংক্রমিত রোগীদের জন্য অক্সিজেনের ঘাটতি দেখা দিয়েছে তা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন কেজরিওয়াল। এই বিষয়ে তিনি রবিবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর সঙ্গে ভার্চুয়ালি বৈঠকও করেছেন। পরিস্থিতি সামাল দিতে প্রধানমন্ত্রীর সাহায্যেরও অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি।

অন্যদিকে মহারাষ্ট্রের হাসপাতালগুলিতেও বেড ও মেডিক্যাল সরঞ্জামের ঘাটতি দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে অক্সিজেনের অপ্রতুলতা ভাবাচ্ছে সরকারকে। এই মাসের গোড়ার দিকেই মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে বিষয়টি কেন্দ্রকে জানিয়েছেন। শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী মহারাষ্ট্র সহ বেশি আক্রান্ত রাজ্যগুলিতে অক্সিজন ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী পাঠানোর নির্দেশও দিয়েছেন। মহারাষ্ট্রে ১ হাজার ১২১টি ভেন্টিলেটর পাঠানোর আশ্বাসও দিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রী হর্ষ বর্ধন।

আরও খবর পড়ুন – বাবা-মা করোনা আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে! সন্তানের সুরক্ষায় যা করবেন

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.