নিউ ইয়র্ক: এক দশক আগে এভাবেই মহামারীর আকার ধারণ করেছিল সোয়াইন ফ্লু। বিশ্ব জুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়েছিল সেবারও। কিন্তু তার থেকে এবারের মহামারীর আকার অনেকটাই বেশি। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা ‘হু’ জানিয়েছে সোয়াইন ফ্লু-র থেকেও ১০ গুণ মারাত্মক এই করোনা ভাইরাস।

২০০৯-এর জানুয়ারি থেকে ২০১০-এর অগস্ট পর্যন্ত তাণ্ডব চালিয়েছিল সোয়াইন ফ্লু। আক্রান্ত হয়েছিল ১.৬ মিলিয়ন মানুষ। মৃত্যু হয়েছিল ১৮,৪৪৯ জনের।

‘হু’ -এর উচ্চপদস্থ আধিকারিক টেড্রোস আধানম ঘেব্রেসাস জানিয়েছেন, সোয়াইন ফ্লু-র থেকেও অনেক বেশিমাত্রায় ছড়িয়ে পড়ছে এই ভাইরাস। তিনি বলেন, ‘আমরা জানি করোনা ভাইরাস অনেক দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। আর এটা অনেক বেশি মারাত্মক। নার্সিং হোমের মত জায়গায় এই রোগ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। তবে টেস্ট করে আইসোলেট করলে সমাধান আসা সম্ভব।

তিনি আরও জানান, অনেক দেশে প্রত্যেক ৩-৪ দিনে আক্রান্তের সংখ্যা দ্বিগুণ হচ্ছে। তাই এখনও সতর্কতা কমানোর সময় আসেনি।

এদিকে রাশিয়ায় এক ধাক্কায় অনেকটাই বেড়ে গেল আক্রান্তের সংখ্যা।

ভ্লাদিমির পুতিনের দেশে সোমবার এই নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছে ২৫৫৮ জন। ওই দেশে প্রথম এত সংখ্যক আক্রান্ত হতে দেখা গেল। রাশিয়ায় আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হলো ১৮,৬২৮। এখনও পর্যন্ত এই দেশে মৃত্যু হয়েছে ১৪৮ জনের।

যদিও ইউরোপের অন্যান্য দেশের তুলনায় রাশিয়া আক্রান্তের সংখ্যা এখনো অনেকটাই কম। রাশিয়ার আক্রান্তের সংখ্যা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছে অনেক দেশ। বিশেষজ্ঞদের মতে রাশিয়ায় সেভাবে টেস্টিং হচ্ছে না বলেই আক্রান্তের সংখ্যা ধরা পড়ছে না। আক্রান্তের সংখ্যা আসলে অনেক বেশি বলে মনে করছেন তাঁরা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.