ওয়াশিংটন: করোনার মহামারীর জেরে সারা বিশ্ব প্রায় তছনছ হয়ে গিয়েছে। এমন অবস্থায় সকলে পাখির চোখে তাকিয়ে রয়েছে ভ্যাকসিনের দিকে। সব দেশ ভ্যাকসিন আবিষ্কারের চেষ্টা চালাচ্ছে। এরই মধ্যে ভ্যাকসিন নিয়ে দারুণ খবর। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে করোনার ভ্যাকসিন প্রোগ্রামের প্রধান মনসেফ সালাউই জানিয়েছেন, করোনা ভাইরাসের প্রথম টিকা ১১ ডিসেম্বর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে দেওয়া হতে পারে।

করোনা ভ্যাকসিন প্রস্তুতকারী মার্কিন কোম্পানি ফাইজার মার্কিন ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের কাছে একটি আবেদন জমা দিয়ে এই ভ্যাকসিনটি জরুরিভাবে ব্যবহারের জন্য অনুমতি চেয়েছে। এ বিষয়ে এফডিএ ভ্যাকসিন উপদেষ্টা কমিটির সভা হবে ১০ ডিসেম্বর। মার্কিন সংস্থা ফাইজার করোনার ভাইরাসের ৯৫ শতাংশ কার্যকর টিকা তৈরি করেছে।

একটি স্বাক্ষাৎকারে সালাউই জানিয়েছেন, বৈঠকে অনুমতি দেওয়া হলে পরের দিন ভ্যাকসিনটি পাওয়া যেতে পারে। তিনি বলেছেন, আমাদের লক্ষ্য হল, অনুমতি মেলার ২৪ ঘন্টার মধ্যে সেই জায়গায় ভ্যাকসিন নিয়ে যাওয়া যেখানে এই টিকাকরণের কাজ হবে। সুতরাং আশা করা হচ্ছে যে, আগামী ১১ বা ১২ ডিসেম্বর এই ভ্যাকসিন প্রয়োগের কাজ শুরু করা যেতে পারে।

অবশ্য আগের মাসেই আমেরিকার অন্তত ২০ কোটি মানুষকে করোনার ডোজ দেওয়া হবে বলে আশা প্রকাশ করেছিল মার্কিন টিকা প্রস্তুতকারী সংস্থা ফাইজার ও মোদার্নার।

তবে এসবের মধ্যে চিন্তা রয়েছে ফেক ভ্যাকসিন নিয়ে। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, ফায়দা তুলে অতিরিক্ত লাভের আশায় বাজারে বিক্রি করা হতে পারে নকল ভ্যাকসিন। বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা একটি ভ্যাকসিন বিক্রির ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে অপরাধীরা বাজারে জাল ভ্যাকসিন ছড়াতে পারে। এতে তাঁদের বিরাট মুনাফা হবে, কিন্তু ভয়ংকর ক্ষতি হবে মানুষের। ব্রিটেনের ন্যাশনাল ক্রাইম এজেন্সি একথা জানিয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।