আমস্টারডাম ও ওয়াশিমটন: ইউরোপ ও আমেরিকায় করোনাভাইরাস হামলায় মৃত্যু মিছিল চলছেই। বিশেষজ্ঞরা নজর রেখেছেন মৃত্যু ও সুস্থতার পরিসংখ্যানের দিকে। ওয়ার্ল্ডোমিটার দিয়ে চলেছে সেই তথ্য। শনিবার তাদের দেওয়া রিপোর্ট বলছে, ৫৯,২০৩ জন মারা গিয়েছেন। রিপোর্টে বলা হয়েছে, করোনা আক্রান্তদের তালিকায় সুস্থ হওয়ার সংখ্যা মৃত্যুর চেয়ে ঢের বেশি। ২,২৮,৯৯০ জন সুস্থ। এই পরিসংখ্যানের তুল্য় মূল্য বিচার করছেন বিশেষজ্ঞরা। তাতে থাকছে আরও খুঁটিনাটি তথ্য।

চমকে দেওয়ার মতো বিষয় হলো- এই মুহূর্তে আমেরিকা ও মেক্সিকোর মধ্যে করোনা তার হামলা জেরদার করেছে। শনিবার এই দুই দেশে নতুন করে করোনা রোগীর মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ছে। তবে ইউরোপে মারণ যজ্ঞ চালিয়ে কিছুটা কমেছে করোনা সংক্রমণ। ১৮১টি দেশ ও অঞ্চল আক্রান্ত হয়েছে এই ভাইরাসে। ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চিনের হুবেই প্রদেশের রাজধানী উহান শহর থেকে ছড়িয়ে পড়ে করোনাভাইরাস। এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি করোনা আক্রান্তের সংখ্যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে।

সেখানে মোট ২ লক্ষ ৭৭ হাজার ৯৫৩ জন এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। মৃত্যু হয়েছে ৭ হাজার ১৫২ জনের। তবে করোনা আক্রান্তের মৃতের হিসাবে বিশ্বে শীর্ষে রয়েছে ইতালি। দেশটিতে মৃতের সংখ্যা ১৪ হাজার ৬৮১ জন। আক্রান্ত হয়েছেন ১ লাখ ১৯ হাজার ৮২৭ জন। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে স্পেন। মৃতের সংখ্যা ১১ হাজার ১৯৮ জন। মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১ লাখ ১৯ হাজার ১৯৯ জন। স্পেনের পর সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে চিনে। দেশটিতে আক্রান্ত হয়েছে ৮২ হাজার ৫১৮ জন। এর মধ্যে তিন হাজার ৩৩০ জনের মৃত্যু হয়েছে।

এর পর পরই আসছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র্রের করোনা পরিস্থিতি। ২ লক্ষের বেশি মানুষ এই ভাইরাসে মারা যেতে পারেন বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। ইউরোপের আরও কয়েকটি দেশ, নেদারল্যান্ডস, জার্মানি, বেলজিয়াম, ব্রিটেনেও করোনা হামলা প্রবল। হাজার হাজার মানুষের মৃত্যুর সাক্ষী প্রথম বিশ্বের উন্নত দেশগুলি। এর তুলনায় দক্ষিণ আমেরিকা, আফ্রিকা, এশিয়ার বিভিন্ন দেশে করোনা সংক্রমণ এতটা ভয়াবহ হয়নি শনিবার পর্যন্ত। তবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু) জানিয়েছে, দক্ষিণ এশিয়ায় করোনা সংক্রমণ বড়সড় আকার নিতে পারে।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ