ওয়াশিংটন: ক্রমশ ভয়ঙ্কর হয়ে উঠছে করোনা ভাইরাস। একের পর এক দেশে ছড়িয়ে পড়ছে মারণ এই রোগ। চারিদিকে শুধুই মৃত্যু মিছিল আর কান্না। সঙ্গে চাপা আতঙ্কও। ঘরের বাইরে পা দিলেই যদি করোনার মারণ থাবা বসে যায়! একটাই প্রশ্ন কবে মিলবে সুরহা? জটিল এই প্রশ্নের উত্তর যদিও এখনও পর্যন্ত কেউ দিতে পারেনি। উলটে অনেকেই বলছেন, আগামিদিনে হয়তো করোনাকে নিয়েই বেঁচে থাকতে। তবুও চেষ্টা চলছে।

বিশ্বের তাবড় তাবড় দেশ করোনার ভ্যাকসিন তৈরির চেষ্টা চালাচ্ছেন। কিন্তু এখনও পর্যন্ত সেভাবে কিছু আসেনি। আর তাই প্রতিদিন গবেষণা করে চলেছেন বিজ্ঞানীরা। নতুন নতুন খবর দিচ্ছেন তারা বিশ্ববাসীকে। আর তেমনই স্বস্তির খবর দিচ্ছেন একদল বিজ্ঞানী। কবে এই পৃথিবী করোনার ভয়াল সংক্রমণ থেকে মুক্ত হবে তার কিছুটা ইঙ্গিত দিচ্ছেন তাঁরা। করোনায় আক্রান্ত ও মৃত ব্যক্তিদের তথ্য দিয়ে সিঙ্গাপুর ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি অ্যান্ড ডিজাইনের গবেষকরা একটি গাণিতিক মডেল তৈরি করেছে।

যা ব্যবহার করে বিভিন্ন দেশ কবে করোনামুক্ত হবে তার একটা পূর্বাভাস তাঁরা পেয়েছেন বলে চাঞ্চল্যকর দাবি করেছেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম মেট্রো’র প্রতিবেদনে বিশ্ব কবে করোনামুক্ত হবে তার দিন-তারিখ জানানো হয়। গণনা পর্যবেক্ষণ পদ্ধতিতে তৈরি ওই গাণিতিক মডেল অনুযায়ী ২৭ আগস্ট করোনামুক্ত হবে ব্রিটেন।

এরপর ২৮ জুন সিঙ্গাপুর আর ২০ সেপ্টেম্বর আমেরিকা করোনাভাইরাস মুক্ত হবে বলে আভাস দেওয়া হয়েছে ওই প্রতিবেদনে। এই পূর্বাভাসে আরও জানানো হয়েছে যে আগামী ৪ ডিসেম্বরের মধ্যে পুরো বিশ্ব থেকে ১০০ ভাগ নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে মহামারি করোনাভাইরাস। গত ৩০ এপ্রিল এই তথ্য প্রকাশ পায়।

উপরের দিকে একটি বেল-আকৃতির বক্ররেখায় শিখর, ত্বরণ এবং হ্রাসসহ এই রোগের পূর্বাভাসের গতিপথ প্রদর্শিত হয়। তবে ভবিষ্যদ্বাণী করা এই বিজ্ঞানীরা অবশ্য বলেছেন যে তারিখগুলি সুনির্দিষ্ট নয়, পরিবর্তন হতে পারে। ভিন্ন ভিন্ন দেশের বাস্তবতা ও পদক্ষপের কারণে তারিখ বদলাতে পারে।

এই পদক্ষপের মধ্যে র‍য়েছে বিধিনিষেধ জোরদারকরণ ও শিথিলকরণসহ এবং লকডাউনের স্থায়িত্ব। পরিসংখ্যান দেওয়া ওয়েবসাইট ওয়ার্ডোমিটারের তথ্য অনুযায়ী, আজ রবিবার পর্যন্ত সারা বিশ্বে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে ৫৪ লাখ ৭ হাজার ৪১৪ জন। এখনও পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ৩ লাখ ৪৪ হাজার ৩৬৬ জনের।

প্রশ্ন অনেক: দ্বিতীয় পর্ব