ফাইল ছবি

ইসলামাবাদ: বিশ্বজুড়ে ক্রমেই বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। বাদ নেই পাকিস্তানও। ইতিমধ্যে সে দেশে আক্রান্তের সংখ্যা ২৪০০ ছাড়িয়ে গিয়েছে। এছাড়া মারা গিয়েছেন অনেকেই। তবে এখনও পর্যন্ত জমায়েত বন্ধ করতে যথেষ্ট বেগ পেতে হচ্ছে সে দেশের প্রশাসনকে। তবে ইতিমধ্যে ১২৬ জন সুস্থ হয়ে উঠেছেন।

এখনও পর্যন্ত পাওয়া খবর অনুযায়ী সব থেকে বেশি আক্রান্তের সংখ্যা পঞ্জাবে ৯২০ জন। আর তার ঠিক পরেই রয়েছে সিন্ধু প্রদেশ। সেখানে আক্রান্তের সংখ্যা ৭৮৬ জন। তারপরে রয়েছে খাইবার পাখতুনখোয়া,বালুচিস্তান। পাক অধ্যুষিত কাশ্মীরেও অনেকে আক্রান্ত হয়েছে এই ঘাতক ভাইরাসে। তবে সে দেশের কিছু জায়গাতে আংশিক লকডাউনের ঘোষণা করেছিল প্রশাসন। তবে তার প্র থেকে ক্রমেই বেড়ে চলেছে আক্রান্তের সংখ্যা।

এর আগে প্রশাসনের তরফ থেকে নির্দেশিকা জারি অরে জমায়েতের উপরে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল। জানানো হয়েছিল এক জায়গাতে বেশি মানুষজন থাকতে পারবেন না। প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছিল তিন থেকে পাচজনেই সময়ে শুক্রবারের প্রার্থনা তে যোগ দিতে পারবেন। তবে অনেক জায়গাতেই পাচ জনের বেশি মানুষকে একসঙ্গে দেখা গিয়েছে।

তবে সিন্ধু প্রদেশের প্রশাসনের তরফ থেকে শুক্রবারের প্রার্থনাতে যোগ দেওয়া আটকানোর জন্য দুপুর ১২ তা থেকে ৩ তে পর্যন্ত সম্পূর্ণ লক ডাউনের ঘোষণা করা হয়েছিল। স্থানীয় মন্ত্রী নাসির শাহ জানিয়েছিলেন বাধ্য হয়ে পরিস্থিতির দিকে নজর রেখে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে এও জানিয়েছেন মসজিদ শুক্রবারের জুম্মার জন্য খোলা থাকবে। তবে কেবল মাত্র তিন থেকে পাঁচজন সেই প্রার্থনাতে যোগ দিতে পারবেন।

ইতিমধ্যে পাকিস্তানের সরকারের তরফ থেকে করোনা ভাইরসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের সুস্থ করার জন্য চেষ্টা করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে সুস্থ হয়ে যাওয়া ব্যাক্তিদের পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। যাতে তাদের শারীরিক পরীক্ষা করে কোন পথ পাওয়া যায়। বিশেষজ্ঞ তাহির শামসি জানিয়েছিলে যে পদ্ধতি ব্যবহার করে চিন সুস্থ হয়ে উঠেছে সেই পদ্ধতির উপরে জোর দিতে। তাহলে সেখানকার মানুশদ্রুত সুস্থ হয়ে উঠবেন। এছাড়া বিশ্ব ব্যাংকের তরফ থেকে অনুদান দেওয়া হয়েছে পাক সরকারকে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।