ঢাকা: মোট ৬৪টি জেলা নিয়ে বিস্তৃত বাংলাদেশ।এর মধ্যে ৫০টি জেলায় করোনা সংক্রমণের গতি দেখে নতুন করে লকডাউন শুরু হচ্ছে। ফলে বাংলদেশের অর্ধেকের বেশি এলাকা আবারও অবরুদ্ধ।

ঢাকা থেকে স্বাস্থ্য মন্ত্রকের জারি করা নির্দেশিকায় বলা হয়, করোনাভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে এলাকাভিত্তিক লকডাউনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। দেশের তিনটি বিভাগ, ৫০টি জেলা ও ৪০০টি উপজেলাকে পুরোপুরি লকডাউন (রেড জোন বিবেচিত) দেখানো হচ্ছে এই নির্দেশিকায়।

এছাড়া আংশিক লকডাউন (ইয়েলো জোন বিবেচিত) দেখানো হচ্ছে পাঁচটি বিভাগ, ১৩টি জেলা ও ১৯টি উপজেলাকে। আর লকডাউন নয় (গ্রিন জোন বিবেচিত) এমন জেলা দেখানো হচ্ছে একটি এবং উপজেলা দেখানো হচ্ছে ৭৫টি।

স্বাস্থ্য মন্ত্রকের ওয়েবসাইটে রাজধানী ঢাকা বিভাগের মধ্যে পুরোপুরি লকডাউন হচ্ছে গাজীপুর, গোপালগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ, মাদারীপুর, মানিকগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, নরসিংদী, রাজবাড়ী, শরীয়তপুর ও টাঙ্গাইল। এই বিভাগে শুধু ঢাকা ও ফরিদপুর আংশিক লকডাউন।

শনিবারই চট্টগ্রাম বিভাগের কক্সবাজার কে রেড জোন করে লকডাউন শুরু হয়। পরে জানানো হয়, সংক্রমণেক গতি দেখে এলাকা ভিত্তিক লকডাউন করা হবে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু) জানিয়েছিল, বাংলাদেশ সহ দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলিতে লকডাউন তুলে নিলে করোনার ভয়াবহ হামলা হবে। তবে বাংলাদেশ সরকার ৬৬ দিন সাধারণ ছুটি চালিয়ে সম্প্রতি সেটা তুলে নেয়। এর পরেই আরও দ্রুত ছড়ায় করোনা। এই পদক্ষেপের কড়া সমালোচনা করেছিলেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা। তাঁদের আশঙ্কা মিলিয়ে করোনার ভয়াবহ সংক্রমণ হচ্ছে বাংলাদেশে।

ওয়ার্ল্ডোমিটার এবং স্বাস্থ্য অধিদফতরের হিসেব, ৬৩ হাজারের বেশি আক্রান্ত। ৮০০ ছাড়িয়েছে মৃতের সংখ্যা। আর দক্ষিণ এশিয়ায় সর্বাধিক করোনা হামলা ভারতে। ২ লক্ষ ছাড়িয়েছে রোগীর সংখ্যা। মৃত ৬ হাজারের বেশি।

প্রশ্ন অনেক: দ্বিতীয় পর্ব