নয়াদিল্লি: করোনার আতঙ্ক দিনে দিনে বেড়েই চলেছে। তবে হু জানাচ্ছে এই ভয়াবহ রোগের প্রভাব কিশোর-কিশোরীদের মধ্যে সর্বনিম্ন। একটি রিপোর্ট বলছে, বিশ্বব্যাপী মাত্র ১০ শতাংশ এরও কম ২০ বছরের কম বয়সীরা করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। ২০ বছরের কম এমন বয়স্কদের করোনার জেরে মৃত্যুর হার মাত্র ০.২ শতাংশ।

মঙ্গলবার ডব্লিউএইচওর (বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা) তরফে বলা হয়, শিশু এবং তরুণদের মধ্যে এই ভয়াবহ রোগের ঝুঁকি ও মৃত্যুর পরিসংখ্যান বোঝার জন্য এখনও আরও গবেষণা প্রয়োজন।

হু-এর তরফে জানানো হয়েছে, করোনায় আক্রান্ত এবং মৃত শিশু এবং তরুণদের সংখ্যা খুব কম। মনে করা হচ্ছে, সম্ভাব্য দীর্ঘমেয়াদী স্বাস্থ্যের প্রভাবগুলি আক্রান্ত শিশু এবং কিশোর-কিশোরীদের মধ্যে লুকায়িত থাকে।

তবে করোনার জেরে শিশু ও কিশোরদের মধ্যে প্রভাব পড়েছে অন্য ভাবেও। বিশ্বে এমন বেশ কয়েকটি দেশের কথা উল্লেখ করা হয়েছে, যেখানে করোনার জেরে শিশুদের টিকা ও অন্যান্য পরিষেবা দেওয়া সম্ভব হয়নি। সেক্ষেত্রে ভবিষ্যতে ওই শিশুদের রোগাক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া লক্ষ লক্ষ ছেলে মেয়ে স্কুলে যেতে পারছে না, বাড়িতে দীর্ঘদিন থাকার ফলে তাঁদের স্বাভাবিক মনের বিকাশও ব্যহত হচ্ছে।

হু জানাচ্ছে, ইতিমধ্যে অনেক দেশে স্কুল খোলা হয়েছে। এরকম পরিস্থিতিতে কেবল সরকার ও পরিবারকেই বাচ্চাদের সুরক্ষার দায়িত্ব গ্রহণ করতে হবে এমন কথা নেই, সব মানুষকেই করোনা রোধের দিকে খেয়াল রাখতে হবে। যে সব দেশে এখনও স্কুল খোলা হয়নি, সেই দেশগুলিকে ডিসট্যান্স লার্নিং-এর মাধ্যমে শিশুদের শিক্ষার ধারাবাহিকতা বজায় রাখা উচিৎ।

পচামড়াজাত পণ্যের ফ্যাশনের দুনিয়ায় উজ্জ্বল তাঁর নাম, মুখোমুখি দশভূজা তাসলিমা মিজি।