কলকাতা: রাজ্যে করোনা ভাইরাস আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। এই পরিস্থিতিতে রাজ্যে শুরু হয়েছে লকডাউন। এবার কলকাতার একটি সরকারি হাসপাতালকে করোনা চিকিৎসার জন্য প্রস্তুত করতে বলল স্বাস্থ্য দফতর। স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে খবর, গোটা কলকাতা মেডিক্যাল কলেজকেই বিশেষভাবে প্রস্তুত করা হচ্ছে। শুধু মাত্র করোনা ভাইরাসে আক্রান্তদেরই চিকিৎসা হবে এই হাসপাতালে। যা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মাস্টারস্ট্রোক হিসাবেই মনে করা হচ্ছে।

এখনও পর্যন্ত দেশের মতো গোটা হাসপাতাল শুধু করোনার চিকিৎসা হবে তা করে বাংলাই পথ দেখাল। সূত্রের খবর, সোমবার দুপুরের পর থেকেই নতুন করে রোগী ভর্তি নেওয়া হচ্ছে না কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। খালি করে দেওয়া হচ্ছে এই হাসপাতাল। তবে লিখিত নির্দেশ জারি না হলেও, খুব তাড়াতাড়ি তা হয়ে যাবে বলে সূত্রে জানা গিয়েছে। অন্যদিকে করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলায় কেন্দ্রীয় সরকার পশ্চিমবঙ্গে আরও পাঁচটি এবং গোটা দেশে ৭৯টি বেসরকারি পরীক্ষাগারকে অনুমোদন দিয়েছে করোনা পরীক্ষার‌।

জানা যাচ্ছে, বেলেঘাটা আইডিতে ভরে যাচ্ছে রোগীর সংখ্যা। সন্দেহে বহুজনকে আইসোলেশনে রাখা হচ্ছে। সেখানে দাঁড়িয়ে মেডিক্যাল কলেজকেও প্রস্তুত করে ফেলা হল। জানা যাচ্ছে, এই মুহূর্তে ওই হাসপাতালে যে সমস্ত রোগী ভর্তি রয়েছে তাদের অন্যত্র সরানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

কোথাও কোথায় তা করা যাবে? রইল সেই পশ্চিমবঙ্গের তালিকা

১) অ্যাপোলো হসপিটাল। ২) SRL লিমিটেড রেফারেন্স ল্যাবরেটরী সল্টলেক সিটি। ৩) SRL লিমিটেড, ফর্টিস হসপিটাল, ৭৩০ ‌আনন্দপুর, ইএম বাইপাস । ৪) সুরক্ষা ডায়াগনস্টিক,নিউ টাউন। ৫) মেডিকা সুপার স্পেস্যালিটি হসপিটাল, কলকাতা। প্রসঙ্গত করোনা ভাইরাস মোকাবিলায় রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর আগে থেকেই বেশ কিছু প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে৷

যেমন বেলেঘাটা আই ডি হাসপাতালে আইসোলেশন ওয়ার্ড তৈরি করা হয়েছে৷ অন্যদিকে পুনের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ ভাইরোলজির পরীক্ষাগার ছাড়াও আলেপ্পে, বেঙ্গালুরু, হায়দরাবাদ ও মুম্বইয়ের ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিকেল রিসার্চের চারটি পরীক্ষাগারে চিকিৎসার জন্য নমুনা পরীক্ষা করার ব্যবস্থা করা হয়েছে। বেলেঘাটা নাইসেড ও এসএসকেএম রয়েছে করোনা পরীক্ষাগার।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।