প্যারিস: ফ্রান্সে ২৪ ঘটনার মধ্যে ৪৯৯ জন মারা যাওয়ার পরে সে দেশে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৫২৩ এ। যা যথেষ্ট উদ্বেগের। এছাড়াও জানা গিয়েছে ইতিমধ্যে ২২৭৫৭ জন সেখানে হাসপাতালে রয়েছে। যাদের মধ্যে ৫৫৬৫ জনের অবস্থা যথেষ্ট সংকটজনক। হেলথ অফিসার জেরোম সালোমন বিস্তারিতভাবে দেশে আক্রান্ত এবং মৃতের সংখ্যা জানিয়েছেন। এও জানিয়েছেন কিভাবে স্বাস্থ্যকর্মীরা আপ্রাণ চেষ্টা করে চলেছেন।

এছাড়া প্রতিদিন সে দেশে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। পরিস্থিতির দিকে সে দেশের প্রশাসনের নজর রয়েছে বলে জানানো হয়েছে। ফ্রান্সে ১৭ মার্চ থেকে জারি হয়েছিল লক ডাউন। যা এখনও চলছে। কিন্তু তার মাঝে কিভাবে এত দ্রুত আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে তা নিয়ে চিন্তাতে বিশেষজ্ঞরা।

ক্রমে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়াতে বেশ কিছু রোগীকে অন্যত্র স্থানান্তরিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। এছাড়া বেশ কিছু রোগীকে বিদেশেও চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে। ইতিমধ্যে ২৮৮ জন রোগীকে অন্যত্র সরানো হয়েছে। এও জানিয়েছেন বুধবার একটি বিশেষ ট্রেনে করে ৩৬ জন রোগীকে প্যারিস থেকে ব্রিতানি তে নিয়ে যাওয়া হবে। অর্থাৎ বিশ্বের অন্যতম সুন্দর শহরের ছবিটা যে এই মুহূর্তে আর সুন্দর নেই তা আবারও বোঝা গিয়েছে। শুধু ফ্রান্সই নয়। অন্যান্য বেশ কয়েকটি দেশের অবস্থাও যথেষ্ট উদ্বেগের।

এদিকে ভারতে চলছে লক ডাউন। তারই মাঝে যে হারে সংক্রমণের সংখ্যা বাড়ছে তা দেখে চিন্তার ভাঁজ পড়ছে বিশেষজ্ঞদের কপালে। দেশ জুড়ে ইতিমধ্যে সংক্রমণের হার পেরিয়ে গিয়েছে ২০০০। এছাড়া মৃতের সংখ্যাও বাড়ছে।

ইতিমধ্যে একাধিক বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন এখনও পর্যন্ত ভারতে কমিউনিটি ট্রান্সমিশন শুরু হয়নি সেভাবে। কিন্তু যাতে না হয় সেই কারণে ইতিমধ্যে একাধিকবার সচেতন করা হয়েছে। জারি আছে দেশ জুড়ে লক ডাউন। চিকিৎসক এবং স্বাস্থ্য কর্মীরা আপ্রাণ চেষ্টা করে চলেছেন। তার মধ্যে যাতে কিছুজনের অসাবধানতার মুল্য যাতে সাধারণ নিরাপরাধ দেশবাসীকে দিতে না হয় সেই চেষ্টা করা হচ্ছে।