বেজিং: চিনে করোনা ভাইরাস সংক্রমণ প্রতিদিন শাসন এবং জনসাধারণের জন্য নতুন সমস্যা তৈরি করছে। উত্তর চিনের আইসক্রিমগুলিতে প্রচুর পরিমাণে করোনা ভাইরাস মিলেছে। এরপরেই চিনা কর্তৃপক্ষ সংক্রামিত আইসক্রিমের হাজার হাজার প্যাকেট বাজার থেকে তুলে নিয়েছে।

তিয়ানজিন দাকিয়াওদাও ফুড কোম্পানির তৈরি আইসক্রিমে এই করোনা ভাইরাসের প্রমাণ মিলেছে। আইসক্রিমে এই ভাইরাস মেলায় বেজায় চিন্তিত চিনা আধিকারিকরা। তাঁরা বর্তমানে সেই সব লোকের খোঁজ শুরু করেছেন, যারা ওই আইসক্রিম খেয়েছিলেন। যদিও এই কাজ যথেষ্ট কষ্টসাধ্য।

আরও পড়ুন – সোশ্যাল মিডিয়ার অপব্যবহার! ফেসবুক-ট্যুইটারের আধিকারিকদের ডেকে পাঠাল কেন্দ্র

চিনা আইসক্রিমও এখন করোনা পজিটিভ

ব্যাপার এখন এমন দাঁড়িয়েছে যে, চিনা আইসক্রিমও এখন করোনা পজিটিভ। চিনা আধিকারিকরা তাত্ক্ষণিক পদক্ষেপ নিয়ে তিয়ানজিন দাকিয়াওদাওয়ের সমস্ত পণ্য সিলড করে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। এর আগে কর্তৃপক্ষ এই কোম্পানির নানান দ্রব্য পরীক্ষার জন্য ল্যাবে পাঠিয়েছিল, সেখানে সমস্ত নমুনায় করোনার ভাইরাস পাওয়া গেছে।

এখন সংস্থাটি দাবি করেছে তাঁরা তাঁদের পণ্য তৈরির জন্য যে কাঁচামাল ব্যবহার করেছিল তা নিউজিল্যান্ড এবং ইউক্রেন থেকে আনা হয়েছিল। সংস্থাটির বক্তব্য, যে মিলড পাউডারটি নিউজিল্যান্ড থেকে এসেছিল সেগুলিতে মিলেছে ভাইরাস।

ইংলিশ ওয়েবসাইট দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট জানিয়েছে, আইসক্রিমের নমুনায় করোনার ভাইরাসের খোঁজ মেলায় সংস্থার সমস্ত কর্মচারীকে পরীক্ষা করা হয়েছিল। এরমধ্যে আপাতত ৭০০ জনের করোবা রিপোর্টের ফলাফল নেগেটিভ। বাকিদের ফলাফল এখনও জানা যায়নি।

আরও পড়ুন – ‘আপনার ব্যক্তিগত মেসেজ পড়ব না’, WhatsApp status দিল ‘হোয়াটসঅ্যাপ’

বাজারে এখনও প্রচুর আইসক্রিম আছে

তিয়ানজিনের আধিকারিকরা জানিয়েছেন, সংক্রামিত আইসক্রিমের ৪৮৩৬ টি প্যাক সংস্থা প্রস্তুত করেছিল। এরমধ্যে ২০৮৮ টি আইসক্রিম তত্ক্ষণাৎ বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। ৬৫ টি আইসক্রিম বিক্রি হয়ে গিয়েছে এবং ৯৩৫ টি আইসক্রিম এখনও বাজারে রয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।