প্রতীতি ঘোষ, বারাকপুর: করোনায় আক্রান্ত হলেন এক পুলিশ অফিসার। বারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটর খড়দহ থানায় পোস্টিং রয়েছেন ওই পুলিশ অফিসার। ওই পুলিশ অফিসার কার কার সংযোগে এসেছিলেন তা খতিয়ে দেখছে প্রশাসন। এই ঘটনায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে খড়দহ থানা চত্বরে। আক্রান্ত অফিসারকে করোনা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

তার পরিবারে সদস্যদের হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে । যত দিন যাচ্ছে উত্তর ২৪ পরগনার বারাকপুর মহকুমায় ততই বেড়ে যাচ্ছে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা। এবার করোনায় আক্রান্ত হলেন এক পুলিশ অফিসার। করোনা আক্রান্ত ওই পুলিশ অফিসার বর্তমানে খরদহ থানায় সাব ইন্সপেক্টর পদে কর্মরত আছেন। সূত্র অনুযায়ী কিছু দিন আগে শরীর খারাপ হওয়ায় ওই পুলিশ অফিসারের লালা রস পরীক্ষা করা হয়।

সোমবার সেই করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ আসে। এরপরই ওই পুলিশ অফিসারকে বারাসাতের করোনা হাসপাতালে ভর্তি করা হয় । আর ওই পুলিশ অফিসার বারাকপুরের যে আবাসনে থাকতেন সেই আবাসন ও আবাসন সংলগ্ন রাস্তাটি প্রশাসনের পক্ষ থেকে সিল করে দেওয়া হয়েছে।

সেই সঙ্গে বারাকপুর পুরসভার পক্ষ থেকে ওই আবাসনের চারপাশ স্যানিটাইজ করে দেওয়া হয়েছে সোমবার। করোনা আক্রান্ত ওই পুলিশ অফিসার বারাকপুরের একটি আবাসনে থাকেন এই খবর পাওয়া মাত্রই ওই এলাকায় ছুটে যান স্থানীয় বারাকপুর পুরসভার পুর-প্রশাসক উত্তম দাস । সোমবার বারাকপুর মসজিদ মোড় সংলগ্ন যে আবাসনে ওই পুলিশ অফিসার থাকতেন, সেই আবাসনে গিয়ে সেখানের নাগরিকদের সঙ্গে কথা বলেন, যাতে অযথা তারা আতঙ্কিত না হয় ।

আবাসন সংলগ্ন রাস্তা সিল থাকা কালীন আবাসনের বাসিন্দাদের যাতে কোন সমস্যা না হয় সেই দিক গুলো খতিয়ে দেখেন পৌর প্রশাসক উত্তম দাস। উত্তম দাস বলেন, “উনার পরিবারের সদস্যদের হোম কোয়ারেন্টাইন করা হয়েছে । উনার দ্রুত আরোগ্য কামনা করছি । দক্ষ পুলিশ অফিসার ইনি । কি করে পজিটিভ হলেন তা বলা সম্ভব নয় । আমরা এই এলাকাটি কোয়ারেন্টাইন জোন করে দিয়েছি । আবাসিকদের ঘরে থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে । নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রীর জন্য আবাসিকরা নির্দিষ্ট নম্বরে মোবাইলে ফোন করলে স্বেচ্ছাসেবকরা তাদের ঘরের সামনে পৌঁছে দেবে ।”

কলকাতার 'গলি বয়'-এর বিশ্ব জয়ের গল্প