প্রতীকী ছবি

কলকাতা: আক্রান্ত একই পরিবারের পাঁচজন। রয়েছে এক ৯ মাসের শিশুও। এই পরিস্থিতিতে তেহট্টের আক্রান্ত পরিবারকে বিশেষ অ্যাম্বুলেন্সে কলকাতায় নিয়ে আসা হচ্ছে। স্বাস্থ্য দফতরের প্রতিনিধিরা তেহট্টে রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।

সূত্রের খবর, সম্প্রতি বিদেশ ফেরৎ এক ব্যক্তির সংস্পর্শে আসে ওই পরিবারের। আট সদস্যের মধ্যে পাঁচজন আক্রান্ত বলে জানা গিয়েছে। একটি বিয়েবাড়িতে ইংল্যান্ড ফেরত এক আত্মীয়ের সঙ্গে তাঁদের দেখা হয়েছিল। সেই অনুষ্ঠানে। ১৭ মার্চ ওই প্রবাসী যুবক অসুস্থ বোধ করেন। সঙ্গে সঙ্গে রাম মনোহর লোহিয়া হাসপাতালে তাঁকে ভর্তি করা হয়।

ঘটনার পরই পরিবারের সকলকে রাখা হয় হোম আইসোলেশনে। বিষয়টি জানাজানি হতেই তড়িঘড়ি ব্যবস্থা নেয় স্বাস্থ্যভবন। সঙ্গে সঙ্গে সকলকে আইসোলেশনে পাঠানো হয়। সবমিলিয়ে মোট ২০জনকে কলকাতায় চিকিৎসার জন্য আনা হচ্ছে।

স্বাস্থ্যভবনের অধিকর্তা অজয় চক্রবর্তী বলছেন তৃতীয় পর্যায়ের সংক্রমণ আটকানো গিয়েছে। চারজনের একটি দল রয়েছে তেহট্টে। তাঁরা দেখভাল করছে গোটা বিষয়টি।

এদিকে এখনও পর্যন্ত দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭২৪। মৃতের সংখ্যা ১৭। শেষ ২৪ ঘণ্টায় চারজনের মৃত্যু হয়েছে, আক্রান্ত হয়েছেন নতুন করে ৮০ জন। গোষ্ঠীসংক্রমণ ঠেকাতে রাজ্যগুলোকে ১০০ শতাংশ লকডাউন নিশ্চিত করার আবেদন জানিয়েছে কেন্দ্র। তবে, দেশে আক্রান্তদের মধ্যে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৬৬ জন রোগী।

আক্রান্তের সংখ্যার নিরিখে এরপরেই রয়েছে মহারাষ্ট্র, এখানে আক্রান্তের সংখ্যা ১৩০। মৃতের সংখ্যা ৩। মৃত্যুর দিক থেকে এরপরেই রয়েছে গুজরাত। গুজরাতে মৃত্যু হয়েছে তিনজনের। কর্নাটকে মৃতের সংখ্যা ২।

এক জন করে মৃত্যু হয়েছে- রাজস্থান, দিল্লি, পঞ্জাব, তামিলনাড়ু, মধ্যপ্রদেশ, জম্মু-কাশ্মীর, বিহার, হিমাচল প্রদেশ ও পশ্চিমবঙ্গে। সময়সীমা বাড়িয়ে অন্তর্দেশীয় বিমান পরিষেবা ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।