ফাইল ছবি

জেনেভা: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সদর কার্যালয়ে খানিকটা স্বস্তির নিঃশ্বাস পড়ল। ৬৪ হাজার মৃতদেহের প্রাচীর পেরিয়ে অবশেষে সাফল্যের আরও এক ধাপ। করোনা ভাইরাসের দুর্বলতার খোঁজ পেলেন বিজ্ঞানীরা। এর ফলে মারণ ভাইরাসটিকে আঘাত করে তাকে নিশ্চিহ্ন করার একটি সূত্র মিলেছে। ইতিমধ্যে বিশ্ব জুড়ে ১২ লক্ষের বেশি মানুষ এই ভাইরাসের কবলে।

এদিকে ওয়ার্ল্ডোমিটারের হিসেব- করোনা সংক্রমণে বিশ্ব জুড়ে চলছে মহামারি। চিন থেকে শুরুর পর ইরানে মারণ যজ্ঞ করে এই ভাইরাস। তারপর ইতালি, স্পেন, ফ্রান্স, ব্রিটেন, নেদারল্যান্ডস সহ ইউরোপে হাজারে হাজারে মানুষের মৃত্যু হয়েছে করোনা সংক্রমণে। একইসঙ্গে আমেরিকাতে শুরু হয়েছে মৃত্যু মিছিল। বিজ্ঞানী এবং ভাইরাস বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, কোভিড-১৯ এর পূর্বসূরী সার্স। সেই মারণ ভাইরাসের মোকাবিলায় সংগ্রহ করা একটি অ্যান্টিবডি থেকে করোনাভাইরাসের দুর্বলতার খোঁজ মিলেছে।

গবেষকরা বলছেন, ২০০০ সালের শুরুতে সার্স মহামারী থেকে বেঁচে যাওয়া এক ব্যক্তির শরীর থেকে সিরাম নেয়া হয়েছিল। সেখান থেকেই কোভিড-১৯ ভাইরাসের সম্ভাব্য দুর্বল জায়গাটির সন্ধান পাওয়া গেল। এই পরিস্থিতিতে করোনার প্রতিষেধক খুঁজতে মরিয়া বিভিন্ন দেশ। কিছু দেশে নির্দিষ্ট ওষুধ পরীক্ষামূলকভাবে ব্যবহার করে সফলতা এসেছে বলেও দাবি বিশেষজ্ঞদের। প্রতিষেধক এখনও বের না হলেও সর্বশেষ দাবিতে জাগল আশার আলো।

গবেষকেরা বলছেন, করোনার দুর্বলতার খোঁজ মেলায় ভাইরাসের নতুন টিকা তৈরির পথ খুলবে। এই নিয়ে আরও গবেষণা চালানো হবে। এর জন্য কোভিড-১৯ থেকে সুস্থ হওয়া ব্যক্তির রক্তের খোঁজ করছেন তারা। এই রক্ত থেকে অ্যান্টিবডি কাজে লাগানোর পরিকল্পনা রয়েছে। গবেষণায় বলা হয়েছে,মানুষের পাঁচ ধরনের অ্যান্টিবডি রয়েছে। বিজ্ঞানীরা এমন একটি অ্যান্টিবডির সন্ধান করছেন যেটা করোনা ভাইরাস শনাক্তকরণ এবং তাকে নিষ্ক্রিয় করবে।a

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

Tree-bute: রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও