আমস্টারডাম ও লন্ডন: ইউরোপ কি রসাতলে যাবে? কারন করোনার হামলায় দুনিয়ার তাবড় তাবড় দেশগুলিতে মোড়ক লেগেছে। ইতালি, ফ্রান্সে, স্পেনের পর এবার ভাইরাস সংক্রমণের বধ্যভূমি হতে চলেছে নেদারল্যান্ডস ও ব্রিটেন। ৩ হাজারের বেশি মৃত এই দুই দেশে। ওয়ার্ল্ডোমিটারের পরিসংখ্যানে ভয়াবহ অবস্থা ইউরোপ ও আমেরিকার। এই করোনাভাইরাসে বিশ্ব জুড়ে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ৪৭ হাজার ২৪১ জনের।

মহামারির আকার নেওয়া করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় দশ লক্ষ। ওয়ার্ল্ডোমিটার জানাচ্ছে, করোনায় বিশ্ব জুড়ে এই ভাইরাসে মৃতের সংখ্যা ৪৭ হাজার ২৪১ জন। ইতালিতে ১৩ হাজার ১৫৫ জন, স্পেনে ৯ হাজার ৩৮৭ জন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ৫ হাজার ১১৬ জন, ফ্রান্সে ৪ হাজার ৪৩ জন। এই পরিসংখ্যান বলে দিচ্ছে নেদারল্যান্ডসে এক হাজার১৭৩ জন, ব্রিটেনে ২ হাজারের বেশি মত। এছাড়া জার্মানিতে ৯৩১ জন ও বেলজিয়ামে ৮২৮ জনের মৃত্যু হয়েছে।

পরিসংখ্যানেই পরিষ্কার, ইউরোপে করোনার পরবর্তী শিকার ব্রিটিশ, ডাচ ও জার্মান নাগরিকরা। এর আগে ইতালীয়, স্পেনীয়, ফরাসী, ব্রিটিশদের বিরাট অংশের মানুষের প্রাণ নিয়েও শান্ত হয়নি করোনা। এশিয়াতে মারণ যজ্ঞ করেছে করোনা। চিনে তিন হাজার ৩১৬ জন, ইরানে ৩ হাজার ৩৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এদিকে করোনায় আরও এক মৃত্যুর দেশ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। হাজারে হাজারে মৃত।

দু লক্ষ ১৫ হাজার ৪১৭ জন করোনা রোগী এই দেশে। তবে আফ্রিকার দেশগুলিতে করোনা ছড়ালেও সেখানে এখনও বড় আকারে মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি। দক্ষিণ আমেরিকায় করোনা থাবা মারতে শুরু করেছে। করোনা হামলার গবেষণার রিপোর্টে জন্স হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয় জানাচ্ছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছে ২৫ হাজার। সবথেকে খারাপ পরিস্থিতি নিউ ইয়র্কের। সেখানে মৃতের সংখ্যা এরইমধ্যে ১ হাজার ৩০০ ছাড়িয়েছে।

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও