করোনা থেকে সাবধান
ফাইল ছবি

কলকাতা: রাজ্যে একদিনেই করোনা আক্রান্ত হয়ে ৩ জন চিকিৎসকের মৃত্যু হয়েছে৷ সামনের সারির করোনা যোদ্ধাদের মৃত্যুতে চিকিৎসক মহলে শোকের ছায়া৷

মৃত চিকিৎসকরা হলেন, কোঠারি হাসপাতালের চিকিৎসক তাপস সিংহের,ব্যারাকপুরের চক্ষু চিকিৎসক বিশ্বজিৎ মন্ডল, শ্যামনগরের চিকিৎসক প্রদীপ ভট্টাচার্য৷

তবে প্রদীপবাবু কোনও হাসপাতালের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না, ব্যক্তিগত ভাবে রোগী দেখতেন৷ কিছুদিন আগে তার করোনা পরীক্ষায় রিপোর্ট পজিটিভ আসে৷ তারপর তাকে মেডিকা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়৷ সেখানেই তার মৃত্যু হয়৷

এর আগেও করোনায় কেড়ে নিয়েছে কয়েকজন চিকিৎসকের প্রাণ৷ কিছুদিন আগে একটি বেসরকারি হাসপাতালে মৃত্যু হয় তরুণ চিকিৎসক নীতিশ কুমারের৷ বয়স হয়েছিল মাত্র ৩৬ বছর৷ রেখে গিয়েছেন স্ত্রী ও ২ বছরের ছেলেকে৷

জানা গিয়েছিল, আরএন টেগোর হাসপাতালের কার্ডিওভাস্কুলার সায়েন্স বিভাগের চিকিৎসক ছিলেন নীতিশ৷ করোনায় আক্রান্ত হয়ে ওই বেসরকারি হাসপাতালেই ভর্তি হন৷ অনেক চেস্টা করেও তার সহকর্মী চিকিৎসরা তাকে বাঁচাতে পারলেন না৷

এছাড়া শহর কলকাতায় করোনায় এক চিকিৎসকের মৃত্যু হয়েছিল৷ একটি বেসরকারি হাসপাতালে ওই চিকিৎসকের মৃত্যু হয়৷ তারও আগে করোনা আক্রান্ত হয়ে এ রাজ্যের দুই নামী চিকিৎসকের মৃত্যু হয়েছিল৷

জানা গিয়েছিল, মৃত চিকিৎসকের নাম তরুনকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়৷ বয়স হয়েছিল ৭৮ বছর৷ তিনি মেডিসিন বিশেষজ্ঞ হিসেবে একজন প্রতিষ্ঠিত চিকিৎসক ছিলেন৷

হাসপাতাল সূত্রে খবর ছিল, বেশ কিছুদিন আগে থেকেই তার বিভিন্ন উপসর্গ দেখা দেয়৷ এমনকি জ্বর, শ্বাসকষ্টও ছিল৷ ২৩ জুলাই তার অবস্থার কিছুটা অবনতি হলে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়৷ তার করোনা পরীক্ষা করা হলে,সেই রিপোর্ট পজিটিভ আসে৷

করোনা মোকাবিলায় প্রথম সারির লড়াইয়ে চিকিৎসক থেকে শুরু করে স্বাস্থ্যকর্মীরা রয়েছেন৷ প্রায় দিনই তাদের মধ্যে কেউ না কেউ করোনায় আক্রান্ত হচ্ছেন৷ তবুও তারা অদৃশ্য শত্রুর সঙ্গে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন৷

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও